| শিরোনাম: |
সংগৃহীত ছবি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে পুলিশের অধীনে একটি পৃথক ‘সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট’ গঠন করা হবে। একজন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শকের (অ্যাডিশনাল আইজিপি) নেতৃত্বে পরিচালিত হবে নতুন এই ইউনিট। পুলিশ সদর দপ্তরে এ ধরনের পদ না থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন পদ সৃষ্টি করা হবে।
শনিবার দুপুরে রাজধানীতে আয়োজিত পুলিশ পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটের শাখা দেশের সব মেট্রোপলিটন এলাকা, ডিভিশন ও জেলা পর্যায়ে থাকবে। থানা ও জেলা পর্যায়ে ইউনিটের জন্য আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি পুলিশ সদর দপ্তর ও ডিভিশন পর্যায়ে বড় পরিসরের ফরেনসিক ল্যাব এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হবে।
পুলিশ সদস্যদের রাজনৈতিক যোগাযোগের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পুলিশের কেউ কেউ এখনো ‘ফ্যাসিবাদী’ শক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং বিভিন্ন তথ্য সরবরাহ করছেন। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, দেশের বাইরে অবস্থান করে যারা বিভিন্ন সময় হুমকি দিচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামী শক্তির দোসরদের’ আইনের আওতায় আনতে সক্ষম পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।
সাইবার অপরাধের গুরুত্ব তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাইবার স্পেসকে ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ বর্তমানে আধুনিক অপরাধপ্রবণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধরন হয়ে উঠেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো কোনো দেশে মোট অপরাধের ৪৪ শতাংশ পর্যন্ত সাইবার বা স্ক্যামভিত্তিক হতে পারে। এ কারণে বাংলাদেশেও সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।