রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

শিরোনাম: রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির আভাস   ভারতের দুর্ভেদ্য বাধায় ব্রিকসে সদস্যপদ আটকালো পাকিস্তানের   রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়া ৩২ জন গ্রেফতার   জরুরি প্রয়োজনে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ই-ঋণ, পাবেন যেভাবে!   যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতার প্রস্তাব চীনের   নোরা ফাতেহির এক মন্তব্যেই ‌এভিয়েশন কোম্পানিতে ধস!   পিরোজপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু   
জরুরি প্রয়োজনে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ই-ঋণ, পাবেন যেভাবে!
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৬ পিএম   (ভিজিট : ১৪৩)

সাময়িক জরুরি খরচ মেটাতে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা চালুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সুদের পরিবর্তে ফি-ভিত্তিক এই ঋণ-সুবিধার মাধ্যমে গ্রাহক বিভিন্ন অপরিহার্য সেবার বিল ও ফি পরিশোধ করতে পারবেন।

ঋণের সীমা ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং তিন স্তরে মেয়াদ নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ৬ সেপ্টেম্বর সব তফসিলি ব্যাংককে এ সুবিধা চালুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ই-পেমেন্ট ক্রেডিটের আওতায় ইউটিলিটি বিল, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত ফি, টোল ও টিকিট, করসহ সরকারি ফি, আমানতের কিস্তি এবং বিমা প্রিমিয়াম পরিশোধ করা যাবে। তবে ঋণের অর্থ নগদে তোলা, গ্রাহকের ওয়ালেটে জমা কিংবা কোনো ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা যাবে না।

ঋণের পরিমাণভেদে ৭, ১৫ অথবা ৩০ দিন মেয়াদের সর্বোচ্চ ফি বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ৫০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে ৭, ১৫ ও ৩০ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ফি ৩ টাকা থেকে ২০ টাকা টাকা। ১ হাজার ১ টাকা থেকে তিন হাজার টাকা ঋণে ১০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, তিন হাজার ১ টাকা থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত ২০ টাকা থেকে ৯০ টাকা নির্ধারণ হয়েছে।

একইভাবে ৭ হাজার ১ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে ফি সর্বোচ্চ ৩৫, ৭০ ও ১৩০ টাকায় বেধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নির্দেশনায় বলা হয়, ঋণ বিতরণের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূল অর্থ ও ফি পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের আগেই পরিশোধ করলে অতিরিক্ত কোনো সুদ, প্রি-পেমেন্ট বা আর্লি সেটেলমেন্ট ফি নেওয়া যাবে না। তবে নির্ধারিত সময়ে পরিশোধে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত দিনের জন্য সীমিত হারে জরিমানা বা ফি নেওয়া যাবে। কারা এর সুযোগ পাবেন বা সবাই পাবেন কি না, তা নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সাময়িক নগদ সংকটে থাকা গ্রাহকের জরুরি বিল ও ফি সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করা, নগদ টাকার নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার বাড়ানো।

তবে এই পদ্ধতি বাণিজ্যিকভাবে চালুর আগে প্রতিটি ব্যাংককে ন্যূনতম ছয় মাস পাইলটিং করতে হবে। পাইলটিংয়ের ফলাফল মূল্যায়নের পর পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে চালু করা যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশনায় বলেছে, এ সুবিধার পুরো প্রক্রিয়া এন্ড-টু-এন্ড ডিজিটাল হতে হবে। গ্রাহকের ওয়েট সিগনেচারের পরিবর্তে ডিজিটাল সম্মতি নেওয়া, নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে অনবোর্ডিং এবং ওটিপি দুই স্তরের বা মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।








  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]