প্রকাশ: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৪ পিএম (ভিজিট : ২১২)

রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম ঘিরে কয়েকদিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চললেও, এ বিষয়ে তার সঙ্গে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে ড. ইউনূসের সঙ্গে সরকারের কোনো আলোচনা বা আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়নি।
সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, রাষ্ট্রপতি পদে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজনৈতিক মহলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে এ পদের সবচেয়ে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এদিকে, ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি করার সম্ভাবনা নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তা নাকচ করেছেন তার ঘনিষ্ঠজনরা। তাদের ভাষ্য, রাজনৈতিক সরকারের কোনো সাংবিধানিক বা নির্বাহী দায়িত্ব গ্রহণে তিনি আগ্রহী নন।
উল্লেখ্য, গত মাসে স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়ে যায়। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
বাংলাদেশের সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতা সীমিত হলেও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা, রাজনৈতিক সংকট এবং রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা রক্ষায় এ পদটির গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
অন্যদিকে, জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিবের মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্ভাব্য মহাসচিব পদপ্রার্থী হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে। তবে তার ঘনিষ্ঠ এক সহকারী জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে জাতিসংঘের কোনো দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়েও তিনি আগ্রহী নন।
সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ড. ইউনূসকে ঘিরে রাষ্ট্রপতি কিংবা জাতিসংঘের মহাসচিব দুই ক্ষেত্রেই আলোচনা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব বা যোগাযোগের বিষয়টি নিশ্চিত হয়নি।