মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২৬ ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

শিরোনাম: হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প   ২০৩০ সাল থেকেই কি ৬৪ দলের বিশ্বকাপ? যা বলছে ফিফা   বিশ্বকাপে ভিএআরের সুবিধা সবচেয়ে বেশি পেয়েছে যে দেশ   নতুন দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ   প্রফেশনাল অফিসারদেরই মূল্যায়ন করা হবে, প্রভাবশালীদের নয়: ডিএমপি কমিশনার   শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগ, উদ্বেগ প্রকাশ   অবৈধ অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর সৌদি, নতুন সতর্কবার্তা   
পদ নয়, আদর্শই ছিল রাজনীতির প্রেরণা: ত্যাগের মূল্যায়নের প্রত্যাশায় ছাত্রদল নেতা তারিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম   (ভিজিট : ৭১)

রাজনীতি তার কাছে কখনোই ক্ষমতা কিংবা পদ-পদবী অর্জনের সিঁড়ি ছিল না; বরং ছিল আদর্শ, নৈতিকতা ও বিবেকের কাছে করা এক আজীবনের অঙ্গীকার। সেই বিশ্বাসকে ধারণ করেই দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের সাবেক নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।

সম্প্রতি নিজের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে ফেসবুকে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, আদর্শের প্রশ্নে আপস না করায় বারবার হামলার শিকার হতে হয়েছে, কারাবরণ করতে হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতেও আহত হতে হয়েছে। সেই গুলির ক্ষতচিহ্ন আজও তার শরীরে বহন করছেন। তার ভাষায়, প্রতিটি ক্ষতই তাকে মনে করিয়ে দেয় আদর্শের পথে চলার মূল্য কখনো সহজ নয়।










তিনি বলেন, ব্যক্তিগত লাভ, পদ-পদবী কিংবা করতালির আশায় রাজনীতিতে আসেননি। বরং অন্যায়, দমন-পীড়ন ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে দাঁড়ানোকে নিজের রাজনৈতিক দায়িত্ব ও নৈতিক কর্তব্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। দুঃসময়ে দলের পাশে থাকা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখাই ছিল তার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তারিক বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের কঠিন সময়ে যারা সম্মুখসারিতে থেকে ত্যাগ স্বীকার করেন, সুসময়ে তাদের অনেকের অবদানই যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয় না। তবুও এই বাস্তবতা তাকে কখনো হতাশ বা আদর্শচ্যুত করতে পারেনি। তার বিশ্বাস, সাময়িক বঞ্চনা একজন আদর্শবান কর্মীর পথচলাকে থামিয়ে দিতে পারে না।

দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে তিনি বলেন, নেতৃত্বের ওপর তার বিশ্বাস অটুট। তিনি মনে করেন, সত্যকে হয়তো কিছু সময়ের জন্য চাপা দেওয়া যায়, কিন্তু ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যায় না। ত্যাগের মূল্যায়ন বিলম্বিত হতে পারে, তবে প্রকৃত ত্যাগীদের অবদান একদিন অবশ্যই স্বীকৃতি পায়।

তিনি আরও বলেন, রক্ত, ত্যাগ ও অশ্রু দিয়ে যে আদর্শের পথ নির্মিত হয়েছে, সেই পথ থেকেই তিনি কখনো সরে দাঁড়াবেন না। ভবিষ্যতেও দেশের গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার এবং দলের আদর্শ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন শুধু নৈতিক দায়িত্বই নয়, সাংগঠনিক শক্তি ও ঐক্য ধরে রাখারও অন্যতম পূর্বশর্ত। আন্দোলন-সংগ্রামে আত্মত্যাগী কর্মীদের সম্মান ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করা গেলে তা দলের প্রতি নতুন প্রজন্মের আস্থা ও অংশগ্রহণ আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হতে পারে।

রাজনীতিতে ব্যক্তিগত প্রাপ্তির চেয়ে আদর্শকে বড় করে দেখার যে বার্তা মো. তরিকুল ইসলাম তারিক তুলে ধরেছেন, সেটি ত্যাগ, নিষ্ঠা ও আদর্শনির্ভর রাজনৈতিক চর্চার প্রশ্নে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]