প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১২:২৭ এএম (ভিজিট : ২৬)

আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে বে-টার্মিনাল চালু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেছেন, বে-টার্মিনাল চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং মাদার ভেসেল প্রবেশে জোয়ার-ভাটার নির্ভরতা ও নাব্য সংকট দূর হবে। এর ফলে বন্দরের সামগ্রিক জট পুরোপুরি নিরসন সম্ভব হবে।
গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী জানতে চান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের গড় সময় কত দিন ছিল, কলম্বো ও সিঙ্গাপুরের তুলনায় বাংলাদেশের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম তিনগুণ বেশি কেন, এবং বে-টার্মিনাল ও পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল কবে পুরোপুরি চালু হবে ও তাতে জট কত শতাংশ কমবে।
জবাবে মন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে জাহাজের গড় টার্নঅ্যারাউন্ড সময় ছিল ২ দশমিক ৫৮ দিন।
তিনি আরও বলেন, কলম্বো ও সিঙ্গাপুর মূলত ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্ট। এসব বন্দরে বড় জাহাজ থেকে কনটেইনার নামিয়ে পরবর্তীতে ছোট জাহাজে তুলে দেওয়া হয় এবং সেখানে কাস্টমস এক্সামিন, ক্লিয়ারেন্সসহ অন্যান্য কার্যক্রমের প্রয়োজন হয় না।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম বন্দর মূলত একটি ফিডার পোর্ট। এখানে কাস্টমস এক্সামিন, ক্লিয়ারেন্সসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হয়। এ কারণে ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্টের তুলনায় ফিডার পোর্টের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম কিছুটা বেশি হয়।
মন্ত্রী জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রান্সশিপমেন্ট কনটেইনারের পরিমাণ নিতান্তই নগণ্য। আগত আমদানি-রপ্তানি কনটেইনারের প্রায় ১০০ শতাংশই বাংলাদেশের অভ্যন্তরের জন্য আনা হয় অথবা বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে রপ্তানির উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়।
শেখ রবিউল আলম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দরে জাহাজ ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের জন্য আধুনিক ইক্যুইপমেন্ট সংযোজন এবং বন্দর ব্যবস্থাপনা আরও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর ফলে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে জাহাজের গড় টার্নঅ্যারাউন্ড সময় ইতোমধ্যে কমেছে এবং ভবিষ্যতে তা আরও কমবে বলে আশা করা যায়।