বৃহস্পতিবার ১১ জুন ২০২৬ ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শিরোনাম: ২০৩০ সালের মধ্যে চালু হবে চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনাল: সংসদে মন্ত্রী   ধূমপায়ীদের জন্য দুঃসংবাদ, বাড়তে পারে সিগারেটের দাম   মৃত্যুদণ্ড নিয়ে নিজের অবস্থান জানালেন আইনমন্ত্রী   দক্ষতা ও দ্রুততায় রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ঢাকা প্যাসিফিক লিমিটেড   স্বদেশ প্রপার্টিসের কার্যক্রমে আর কোনো বাধা রইল না   ভার্চুয়াল জগৎ যখন অপরাধের ফাঁদ: কিশোর গ্যাংয়ের নেপথ্যে স্মার্টফোন   প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরে সড়ক থেকে চাঁদাবাজি বন্ধ ও সৈকত দখলমুক্তের প্রত্যাশা   
মৃত্যুদণ্ড নিয়ে নিজের অবস্থান জানালেন আইনমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১২:০১ এএম   (ভিজিট : ৩২)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার ফর এডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজের উদ্যোগে  Legal Representation in Death Penalty Cases in Bangladesh: An Empirical and Conceptual Analysis শীর্ষক এক সেমিনার বুধবার (১০ জুন) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সেমিনারে প্রধান অতিথি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সেন্টার ফর এডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহনাজ হুদার সভাপতিত্বে ডেথ পেনাল্টি প্রজেক্ট (ডিপিপি)’র উপ-নির্বাহী পরিচালক সল লরফ্রেন্ড   (Saul Lehrfreund)  এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)-এর নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেন সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ডেথ পেনাল্টি প্রজেক্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার কনি পার্কার ধীনাকরণ   (Connie Parker-Dhinakaran) গবেষণার পরিচিতি তুলে ধরেন।  গবেষক রাফিদ আজাদ সৌমিক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেন। প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত  ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। আইন বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুল আওয়াল ও ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মেহেলিক আনান রামিসা অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি মৃত্যুদণ্ড বিরোধী। এটা আমার মানবাধিকারের প্রতি একটি অঙ্গীকার। এই ক্যাম্পেইনের আমি একজন অংশীদার। তারপরেও কিছু কথা থেকে যায়। প্রতিটি সাধারণ নিয়মেরই ব্যতিক্রম থাকে। যখন দেখি ৮ বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণ করার পরে হত্যা করা হয়েছে, আলামত নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে, তখন এই সমাজের একজন অংশ হিসেবে, মানুষ হিসেবে আমারও মনে হয় এদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া  প্রয়োজন। 

তিনি বলেন, ৮ বছরের শিশুকে যেভাবে হত্যা করা হয়, এই সামাজিক বাস্তবতায় আমরা যদি মৃত্যুদণ্ড রদ করতে চাই, সেটা আমাদের জন্য একটা সোশ্যাল ব্যাকফায়ার করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক আসামিরই আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। সেই লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই আমরা গত মাসে ‘আইনগত সহায়তা দফতর’ প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রতিটি জেলায় লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করেছি। সেখানে জেলা জজের তত্ত্বাবধানে  লিগ্যাল এইড কমিটি কার্যক্রম শুরু করবে। মানুষের দোরগোড়ায়  লিগ্যাল এইড পৌঁছে দেওয়া আমাদের অঙ্গীকার। আমরা চাই লিগ্যাল এইড অফিস উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখুক। তাহলে মামলার জট এবং হয়রানি কমবে। আমরা একটি বাধ্যতামূলক লিগ্যাল এইড দেওয়ার জন্য বিধান করতে চাচ্ছি।’

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ‘মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আইনি প্রতিনিধিত্ব’ বিষয়ক গবেষণার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে সুষ্ঠু  ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় সংস্কারের পথ সুগম হবে। 

গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও বাস্তব উপাত্তের ভিত্তিতে সংস্কারমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানান। শিক্ষা ও গবেষণার সার্বিক উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ও কার্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারাপ করেন।










  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]