সমস্যাটা আসলে গাড়িতে না, সমস্যা পুরো সিস্টেমে। নতুন করে সহজে নিবন্ধন (নম্বর প্লেট) পাওয়া যায় না। সরকার শুধু পুরোনো সিএনজির জায়গায় নতুন দেওয়ার সুযোগ রাখায় বাজারে তৈরি হয়েছে কৃত্রিম সংকট। আর সেই সুযোগে দালাল আর সিন্ডিকেট মিলে নম্বর প্লেটের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ১২-১৫ লাখ টাকায়!
৬ লাখ টাকার গাড়ির দাম ২৫ লাখে পৌঁছানোর পেছনে রয়েছে দালাল, মালিক ও ট্রাফিক পুলিশের এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট। নতুন নিবন্ধন বন্ধ থাকায় পুরোনো একটি নম্বর বা রেজিস্ট্রেশন প্লেট কিনতেই দালালদের মাধ্যমে দিতে হয় ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা। দালালরা ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয় পক্ষ থেকেই টাকা নিয়ে এই বেআইনি বাণিজ্যের সমন্বয় করে।
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় যে নম্বর প্লেটের সরকারি খরচ মাত্র ১২ হাজার টাকার মতো, সেটাই এখন কালোবাজারে কোটি টাকার ব্যবসার অংশ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা চালক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক শেখ হানিফ বলেন, গত দুই যুগে (২০০২ থেকে ২০২৬ সাল) ঢাকা শহরের আয়তন ও জনসংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়লেও সিএনজির সংখ্যা বাড়েনি। সিএনজির ১৫ বছরের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল শেষ হওয়ার পর তৎকালীন প্রভাবশালী ও অসাধু শ্রমিক নেতা শাজাহান খান এবং ওসমান আলীসহ অনেকেই নতুন সিএনজি নামানোর অনুমতি না দিয়ে পুরোনো নম্বর প্লেটগুলোতেই ‘রিপ্লেসমেন্ট’ বা প্রতিস্থাপনের ব্যবস্থা করেন।