শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬ ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

শিরোনাম: বন্যার আশঙ্কায় ৯ জেলায় আগাম সতর্কতা জারি   বেক্সিমকোর ঋণ জালিয়াতি: জনতা ব্যাংকের ১০ কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ   বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের দাম আকাশছোঁয়া, সর্বনিম্নই ৮ হাজার ডলারের কাছাকাছি   সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করল ঢাকা উত্তর সিটি   জান্নাতের ১০ মহা নেয়ামত, যা মুমিনকে অভিভূত করবে   ফুটবলের সঙ্গে মানবিকতার জয়, ফিলিস্তিনিদের পাশে নরওয়ে   নতুন নৌবাহিনী প্রধান হলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম   
টাঙ্গাইলের ডিসি অফিসের এও’র বিরুদ্ধে জমি জবরদখলের অভিযোগ
আব্দুস সাত্তার, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পিএম   (ভিজিট : ৩৭)

টাঙ্গাইল ডিসি অফিসের সাধারণ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তার(এও) বিরুদ্ধে আত্মীয়ের জমি জবরদখলের অভিযোগ ওঠেছে।  বুধবার(১৫ জুলাই) দুপুরে ভুক্তভোগী কানিজ ফাতেমা প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার মটরা গ্রামের মো. রহিজ উদ্দিনের একমাত্র মেয়ে কানিজ ফাতেমা লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার বাবা-চাচারা তিন ভাই মিলে মটরা মৌজায় বিভিন্ন দাগে ৩১৮ শতাংশ জমি ক্রয় করে। সে অনুযায়ী রহিজ উদ্দিন, আ. রশিদ মিয়া ও রাজু আহমেদ তিন ভাইয়ের নামে জমিগুলোর নামজারি সাপেক্ষে খাজনা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু তার বড় চাচা আ. রশিদের মেয়ের জামাতা টাঙ্গাইল ডিসি (জেলা প্রশাসক) অফিসের সাধারণ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা(এও) নজরুল ইসলাম ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তাদের ভাগের ২১ শতাংশের বসতবাড়ি ব্যতিত বাকি ৮৫ শতাংশ জমি জবরদখল করে নিয়েছেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার কোনো সহোদর ভাই না থাকায় চাচা ও চাচার মেয়ের জামাতা তাদের জমিগুলো জবরদখল করেছে এবং সাফ জানিয়ে দিয়েছে- তিনি কোনো জমি পাবেন না। এ বিষয়ে পারিবারিকভাবে একাধিকবার বৈঠক হলেও নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মগড়া ইউপি সচিব শামছুন্নাহারের গোয়ার্তুমির কারণে মীমাংসা হয়নি। উপরন্তু কোনো প্রকার জমি দাবি করলে তাকে ও তার বাবা রহিজ উদ্দিনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল-হাজতে পাঠাবে। তারপর কথা না শুনলে তাকে মেরে ফেলবে বলে প্রকাশ্যে বলে বেরাচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে কানিজ ফতেমার বাবা মো. রহিজ উদ্দিন, মা বিলকিছ বেগম এবং বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইল ডিসি অফিসের সাধারণ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা(এও) নজররুল ইসলাম জানান, জমি-জমার বিষয় নিয়ে পারিবারিকভাবে  একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। একটি বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন- মীমাংসাও হয়েছিল। কিন্তু কানিজ ফাতেমার স্বামীর কারণে সে মীমাংসা ভ-ুল হয়ে যায়। তারপর আর কখনো তিনি ওই জমি-জমার বিষয়ে কোনো খোঁজখবর রাখেন নি- প্রয়োজনও মনে করেন না। অহেতুক তাকে দোষারূপ করা হচ্ছে।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]