প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০১ পিএম (ভিজিট : ৩৬)

সংগৃহীত ছবি
কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে সাগরের ঢেউ ও প্রবল স্রোতে ভেসে যাওয়া হারুন নামে আরও এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে হিমছড়ির সাগর নিবাস এলাকা থেকে হারুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মেরিনা রিসোর্টের জাদুঘরসংলগ্ন সৈকতে গোসল করতে নেমে এ দুর্ঘটনার শিকার হন পর্যটকেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় পর্যটকদের একটি দল ওই সৈকতে গোসল করতে নামেন। এ সময় সাগরের ঢেউ ও প্রবল স্রোতের টানে কয়েকজন ভেসে যান। তাদের পানিতে হাবুডুবু খেতে দেখে স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। তাঁদের প্রচেষ্টায় কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া পর্যটকদের মধ্যে দুজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। আরেকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে পরে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও দুই পর্যটক নিখোঁজ ছিলেন। তাঁদের মধ্যে হারুনের মরদেহ বৃহস্পতিবার সকালে উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে হারুন ছাড়াও রয়েছেন রোহান (২৩) ও শহীদুল ইসলাম (২৩)। রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ী এলাকার বাসিন্দা রোহানের বাবার নাম মুকাররম হোসেন। তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একটি ফোন নম্বর পাওয়া গেছে। শহীদুল ইসলামের ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এ ঘটনায় নিখোঁজ নাফিসুল হক নিবিড়ের (২২) বাবার নাম নাবিবুর রহমান। তিনি ঢাকার আজিমপুর এলাকার বাসিন্দা। নিখোঁজ অপর পর্যটকের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সৈকতকর্মী মাহবুব রহমান জানান, প্রথমে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আরও একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।
রামুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান জানান, পর্যটকদের একটি দল মেরিনা রিসোর্টের জাদুঘরসংলগ্ন সৈকতে গোসল করতে নেমে ঢেউ ও স্রোতে ভেসে যান। স্থানীয় লোকজন একজনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। নিখোঁজ আরেক পর্যটকের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।