প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১০ পিএম (ভিজিট : ১২৬)

সংগৃহীত ছবি
সৌদি আরবে অবস্থান করেও নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে একটি মিছিলের মামলায় আসামি হয়েছেন ইলিয়াস হোসেন নামে এক ব্যক্তি। মামলার ঘটনার সময় তিনি সৌদি আরবের জেদ্দায় ছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি। এ ঘটনায় মামলায় তার নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইলিয়াস ও তার পরিবার।
ইলিয়াস সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আবিরপাড়া-শোকরপুর গ্রামের নতুন বাড়ির শামছুল হকের ছেলে।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের প্রায় দুই মাস পর জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে যান ইলিয়াস। চলতি বছরের ২০ মে ছুটিতে দেশে ফেরার পর গত ১২ সেপ্টেম্বর আবার সৌদি আরবে ফিরে যান তিনি।
এর আট দিন পর, ২০ সেপ্টেম্বর সোনাইমুড়ী থানায় করা একটি মামলায় তাকে ১২ নম্বর আসামি করা হয়। মামলায় মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ইলিয়াসের দাবি, তিনি একসময় স্থানীয় যুবলীগের কর্মী ছিলেন। সেই রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
ইলিয়াস বলেন, ‘গত ১২ সেপ্টেম্বর আমি সৌদি আরবে এসেছি। পরে জানতে পারি, ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে সোনাইমুড়ী হাইওয়ে সড়কে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। ওই মামলায় আমাকেও ১২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। অথচ ঘটনার সময় আমি সৌদি আরবে অবস্থান করছিলাম।’
মামলা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথা বলে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তার সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা দাবি করছেন বলেও অভিযোগ করেন ইলিয়াস। টাকা দিলে মামলা থেকে নাম বাদ দেওয়া হবে বলে তাকে জানানো হয়েছে বলে দাবি তার। এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নোয়াখালীর পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।