
‘'নিয়মিত দেশীয় ফল খেলে- সব ধরনের পুষ্টি মেলে’এই প্রতিপাদ্যে টাঙ্গাইলে শিশুদের নিয়ে দেশীয় ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের উদ্যোগে দেশীয় ফলের পরিচিতি ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে শিশু শিক্ষার্থী ও পাঠাগারের পাঠকদের সচেতন করতে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।
বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের সভাপতি মো. শাহজাহানের সভাপতিত্বে পাঠাগার প্রাঙ্গণে আয়োজিত ফল উৎসবে বক্তব্য রাখেন,পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা মো. কামরুজ্জামান, পুষ্টিবিদ মো. আব্দুল হাকিম, কান্দাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হালিমুজ্জামান, পাঠাগারের উপদেষ্টা হাজী মো. কোরবান আলী, রেজোওয়ানা শরীফ, আতাউর রহমান মিন্টু, সদস্য শাকিল আহমেদ, মাহবুব হাসান আদর, সিয়াম হোসেন, পাঠাগারের সহকারী গ্রন্থাগারিক সীমা আক্তার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বৈচিত্র্যময় বাংলাদেশের মৌসুমী ফলের সাথে বিশ্বের কোন দেশের ফলেরই তুলনা হয় না। দেশীয় ফলের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ প্রতিটি ঋতুর সঙ্গে পরিবর্তনশীল। মানব দেহের সুস্থ্যতার জন্য নিয়মিত দেশী ফল খাওয়া উচিত।
বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা মো. কামরুজ্জামান জানান, বই পাঠের পাশাপাশি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করে তুলতে বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়- এরই ধারাবাহিকতায় ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়।
ফল উৎসবে দেশীয় মৌসুমী ফল আম, কাঁঠাল, লিচু,কলা, পেঁপে, জাম, লটকন, পেঁয়ারা, ডেউয়া, আমলকি, আনারস সহ বিভিন্ন প্রকারের পুষ্টিকর ফল প্রদর্শনী ও বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, “এসো বই পড়ি, নিজেকে আলোকিত করি”- স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌরাকররা গ্রামে ২০১০ সালে গড়ে ওঠে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাঠাগারটি গ্রামের মানুষের মধ্যে পাঠাভ্যাস তৈরি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে সেলুন, বাসস্ট্যান্ড ও স্টেশন অণুপাঠাগার স্থাপনসহ শিক্ষামূলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।