শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬ ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

শিরোনাম: মদ খেতেও নাকি লাইসেন্স লাগে, এটা কোন দেশের আইন: সংসদে মুজিবুর রহমান   চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু   জিম্বাবুয়ে সিরিজ সামনে রেখে বাংলাদেশের ওয়ানডে দল ঘোষণা   চীন-বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ফলপ্রসূ, সই হলো ১৩ সমঝোতা স্মারক: ড. মাহদী আমিন   ইসলামে বিভেদ-হানাহানির কোনো স্থান নেই: প্রধানমন্ত্রী   আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ঢাকায় যুবদল নেতা শেখ খালিদ হাসান জ্যাকির মোটরসাইকেল মহড়া   ‘কালো টাকা বৈধ ব্যবসায়ীদের জন্য নয়, রাজনৈতিক-আমলাতান্ত্রিক চাপে হয়’   
মদ খেতেও নাকি লাইসেন্স লাগে, এটা কোন দেশের আইন: সংসদে মুজিবুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১২:২৫ এএম   (ভিজিট : ৩৯)

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে মদের লাইসেন্স প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান ইকবাল। একই সঙ্গে মদ পানের জন্য লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করার নিয়ম নিয়ে স্পিকারের মাধ্যমে সরকারের কাছে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এ প্রশ্ন তোলেন তিনি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও মদ পানের লাইসেন্স ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করে এই সাংসদ বলেন, গাড়ি চালাইতে লাইসেন্স লাগে, মোটরসাইকেল চালাইতেও লাইসেন্স লাগে, এমনকি দোকান চালাইতেও লাইসেন্স লাগে। কিন্তু এখন শুনছেন মদ খাইতেও নাকি লাইসেন্স লাগে। এটা কোন দেশের আইন, আমার জানা নেই।

মদের দাম বাড়ানোয় অনেকে মনে কষ্ট পেয়েছেন বা মাইন্ড করেছেন উল্লেখ করে তিনি রসাত্মক সুরে বলেন, যারা মাইন্ড করেছেন তাদের জন্য যেন লাইসেন্সের ব্যবস্থা করা হয়। একই সঙ্গে তিনি মদ ও মাদককে এক করে না দেখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পুলিশ অনেক সময় এক বোতল মদ পেলেই সাধারণ মানুষের নামে মামলা দিয়ে হয়রানি করার সুযোগ পায়, যা বন্ধ হওয়া দরকার।

সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান ইকবাল ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসের কার্যক্রম এবং বৈশ্বিক নানা সংকটের মধ্যেও একটি জনকল্যাণমুখী বাজেট পেশ করার জন্য অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে বাজেট ঘোষণার পর দিনই যেখানে রাজপথে ‘মানি না, মানব না’ বলে মিছিল হতো, এবারই প্রথম কোনো প্রতিবাদ মিছিল দেখা যায়নি। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, এটি মূলত মেহনতি ও মধ্যবিত্ত মানুষের বাজেট। এই বাজেটে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী, হার্টের রিং, ব্যান্ডেজ এবং কিডনি রোগীদের চিকিৎসার সমস্ত উপকরণের দাম কমানো হয়েছে। জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রায় সবকিছুর দাম কমানো হলেও কেবল একটি মাত্র আইটেমের দাম বাড়ানো হয়েছে এবং সেটি হলো মদ। মদের দাম বাড়ানোর এই উদ্যোগকে তিনি সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে সাধুবাদ জানান।

বাজেট নিয়ে বিরোধিতাকারীদের সমালোচনা করে মুজিবুর রহমান ইকবাল একটি রূপক গল্পের অবতারণা করেন। তিনি বলেন, অনেকে বিরোধী দলে বসে অবাস্তব সমালোচনা করছেন, যা অনেকটা ফিতা দিয়ে মেপে অবাস্তব কুমিরের দৈর্ঘ্য কমানোর গল্পের মতো। অর্থমন্ত্রী যে বিশাল ও সুন্দর বাজেট দিয়েছেন, তা কমানোর কোনো সুযোগ নেই। দেশ ও জনগণের উন্নয়নের স্বার্থে এই বিশাল বাজেটকে বাস্তবায়ন করা আমাদের সবার দায়িত্ব। বাজেট যদি বড় না হয়, তবে এলাকার রাস্তাঘাট, কালভার্ট, মেডিকেল কলেজ কিংবা হসপিটালের মতো বড় বড় উন্নয়নমূলক কাজের দাবি পূরণ করা সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী চট্টগ্রামের সাগর পাড়ের মানুষ হওয়ায় তার মন এবং বাজেট দুই-ই সাগরের মতো বড়। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং হাওড় অঞ্চলে রাতে নিরাপদে চলাচলের সুবিধার্থে স্পিডবোট ও পুলিশের টহল গাড়ি বরাদ্দের জন্য তিনি অর্থমন্ত্রীর কাছে পুলিশের বাজেট বাড়ানোর জোর দাবি জানান।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]