প্রকাশ: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১:৫০ পিএম (ভিজিট : ৬৫)
রাজনীতির মাঠে অনেকেই আসেন, অনেকেই হারিয়ে যান। কিন্তু সময়ের প্রতিকূলতা, নির্যাতন, কারাবরণ এবং অসংখ্য বাধা-বিপত্তির মধ্যেও যারা আদর্শের পতাকা উঁচিয়ে রাখেন, তারাই হয়ে ওঠেন প্রকৃত নেতৃত্বের প্রতীক। তেমনই এক নাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।
যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে শিক্ষাজীবনের ভিত্তি গড়ে তুলে তিনি পা রাখেন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হল ছাত্রদলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে নেতৃত্বের দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় হামলা, মামলা, গ্রেপ্তার, কারাবরণ, নির্যাতন ও দমন-পীড়নের মুখোমুখি হয়েছেন একাধিকবার। তবে কোনো প্রতিকূলতাই তাকে আদর্শের পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। দলের সংকটকালীন সময়ে রাজপথে সক্রিয় উপস্থিতি, নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নিবেদিত ভূমিকার কারণে তিনি আজ তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে একজন পরীক্ষিত ও আস্থার প্রতীক।
শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও তিনি অর্জন করেছেন বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা।
আর্থিক সংকটে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অসহায় রোগী কিংবা বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সবসময়ই দেখা যায় তাকে। কারও চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহ, কারও জরুরি সহায়তার ব্যবস্থা কিংবা মানবিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ এসব কাজের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন, রাজনীতি শুধু ক্ষমতার জন্য নয়; মানুষের কল্যাণের জন্যও হতে পারে।
সম্প্রতি এক অসুস্থ শিশুর ও দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা প্রদান করে তিনি আবারও মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
এ প্রসঙ্গে তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, “মানুষ মানুষের জন্য। সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবানদের উচিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করি চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা করতে। ভবিষ্যতেও এমন মানবিক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে চাই।”
নিজের রাজনৈতিক জীবন ও ত্যাগের মূল্যায়ন প্রসঙ্গে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমি করুণা বা দয়া চাই না। আমি চাই আমার শ্রম, ঘাম, ত্যাগ, হামলা, মামলা, কারাবরণ, নির্যাতন এবং রক্তের সঠিক মূল্যায়ন।”
রাজনীতির ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি মরহুম জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রাম এবং বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ ও জনগণের কল্যাণে বহুদূর এগিয়ে যেতে চাই।”
দলের নেতাকর্মীদের মতে, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দুঃসময়ে যারা রাজপথ ছাড়েননি, তরিকুল ইসলাম তারিক তাদের অন্যতম। দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের কাছে সম্মান ও ভালোবাসার পাত্র হয়ে উঠেছেন। তারা বিশ্বাস করেন, দলের প্রতি তার অবদান এবং আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন একদিন অবশ্যই হবে।
‘সবার আগে বাংলাদেশ ’ এই বিশ্বাস হৃদয়ে ধারণ করে রাজনীতি, মানবিকতা ও আদর্শিক সংগ্রামের পথ ধরে এগিয়ে চলেছেন মো. তরিকুল ইসলাম তারিক। তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও রাজনৈতিক জীবনের সফলতা কামনা করেছেন শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহযোদ্ধারা।