প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৭:৩৬ পিএম (ভিজিট : ৩১)
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক প্রচার সম্পাদক জুয়েল খান দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মী হিসেবে পরিচিত। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, মামলা-হামলা ও নানা চাপের মধ্যেও তিনি দলের প্রতি আনুগত্য ও আদর্শিক অবস্থান থেকে কখনো সরে যাননি।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, জুয়েল খানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে একাধিক রাজনৈতিক মামলা দায়ের করা হয়। বিগত ১৭ বছর তিনি নানা ধরনের রাজনৈতিক চাপ, গ্রেপ্তার আতঙ্ক এবং মামলা-হামলার মধ্যে জীবনযাপন করেছেন। তার ঘনিষ্ঠরা দাবি করেন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি একাধিকবার হামলার শিকার হন এবং বিভিন্ন সময়ে আহতও হন।
দলীয় নেতাকর্মীরা বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও জুয়েল খান বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন। দলের দুর্দিনে তিনি মাঠ পর্যায়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজে ভূমিকা রেখেছেন।
জুয়েল খান বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি মরহুম জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে। সেই আদর্শকে ধারণ করেই আমি রাজনীতি করছি।”
তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, “তারেক রহমান একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার যে রূপরেখা দিয়েছেন, তা দেশের মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তাঁর নির্দেশনা ও আদর্শকে বুকে ধারণ করেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।”
জুয়েল খান আরও বলেন, দল ও দেশের স্বার্থে ভবিষ্যতেও তিনি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে বিএনপির আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করে যাবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও যারা দলীয় আদর্শে অবিচল থেকেছেন, জুয়েল খান তাদের অন্যতম একজন হিসেবে নেতাকর্মীদের কাছে পরিচিত।