বুধবার ৫ আগস্ট ২০২৬ ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

শিরোনাম: রাজউক কর্মকর্তা পলাশ শিকদারকে নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ   জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস, বায়তুল মোকাররমে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল   জুলাই হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকব: মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী   জুলাইয়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে ট্রাইব্যুনালে বাড়ছে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা   বগুড়ার সাইবার মামলায় ঢাকা থেকে এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার   বিশেষ নিরাপত্তায় ১৫ আগস্ট পর্যন্ত গোপালগঞ্জে থাকবে বিজিবি   মঞ্চে ছিল না ইউনূসের আসন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ব্যবস্থা   
রাজউক কর্মকর্তা পলাশ শিকদারকে নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৯ পিএম   (ভিজিট : ২৭)

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের—রাজউকের অথরাইজড অফিসার পলাশ শিকদারকে ঘিরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মবহির্ভূত সুবিধা নিতে ব্যর্থ হয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে ভিত্তিহীন অভিযোগ জমা দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পরিকল্পিত ও নিরাপদ নগরায়ণ নিশ্চিত করতে দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন রাজউকের অথরাইজড অফিসার পলাশ শিকদার। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি সেবার নামে অনিয়ম, দালালচক্রের প্রভাব এবং অসাধু চর্চা বন্ধে কঠোর অবস্থান নেন।

তবে তার এই নীতিগত অবস্থানই এক শ্রেণির অসাধু মহলের অসন্তোষের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র পলাশ শিকদারের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তিনি বিধিমালার বাইরে কোনো কাজ করতে রাজি না হওয়ায় ওই চক্রের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 

অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ (ফ্যাসিস্ট) সরকারের সাবেক মন্ত্রী মুক্তাদির চৌধুরী চৌধুরীর অনৈতিক চাওয়া থেকে বিরত থাকায় ওই সময় রাজউকের অথরাইজ অফিসার পলাশ সিকদারকে ওসডি করা হয়। ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর এখনও তাকে ওসডি রাখা হয়। এ ব্যাপারে রাজউকের কর্তৃপক্ষের কর্তৃপক্ষ এখনো নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। যা একজন সৎ  নিষ্ঠা ও আদর্শবান অফিসারের জন্য অত্যন্ত মানবিক লঙ্ঘন।  পাশাপাশি মূলধারার গণমাধ্যমে জায়গা না পেয়ে কিছু নিবন্ধনহীন অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।  

সংশ্লিষ্টদের দাবি, পলাশ শিকদার সবসময় বিধিমালার ভেতরে থেকে দায়িত্ব পালন করেন। কোনো ধরনের অনিয়মকে প্রশ্রয় না দেওয়ায় একটি চিহ্নিত মহল অসৎ উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা প্রশাসনিক শৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর। এমন অপপ্রচার বন্ধে রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তারা আরও বলেন, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তারা যদি ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের শিকার হন, তাহলে প্রশাসনে সৎভাবে কাজ করার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই সত্যতা যাচাই করে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]