প্রকাশ: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:০১ পিএম (ভিজিট : ২৭)

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ কেবল জুলাই অভ্যুত্থানের চিহ্ন নয়, বরং বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক অনন্য প্রতিফলন। তিনি বিশ্বাস করেন, “এই জাদুঘর পরবর্তী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।”
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারপ্রধান বলেন, “জুলাই স্মৃতি জাদুঘর আগামী প্রজন্মের সামনে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের মুখোশ উন্মোচ করবে।” জাতীয় স্মৃতিতে এদেশের মানুষের লড়াই, আত্মবিসর্জন ও বীরত্বকে ধরে রাখতে এটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই জাদুঘর আমাদের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ আর সাহসকে জাতীয় স্মৃতিতে ধারণ করার এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ।”
এ সময় আজকের দিনটিকে দেশের ইতিহাসের একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আজকের এই দিনটি দেশের জন্য যুগান্তকারী মাইলফলক। সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।”
বিগত শাসনের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, “ফ্যাসিবাদের আমলে গুম-খুনকে স্বাভাবিক করে ফেলা হয়েছিল।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “ইতিহাস স্বাক্ষী, বিতাড়িত ফ্যাসিবাদ চক্র দেশে গণতান্ত্রিক শাসন মেনে নিতে পারেনি।”