
গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে দৈনিক ভোরের পাতা এর অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত "মাইজদীতে অবাধে চলছে চাঁদাবাজি ও নাশকতা, পুলিশ নির্বিকার! সক্রিয় নিষিদ্ধ আওয়ামী সিন্ডিকেট" শীর্ষক সংবাদের প্রতি আমার দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদে আমার, আমার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ভুট্টো, সাইফুল ইসলাম ফয়সাল, মনির হোসেন, লোকিয়ত উল্লাহ বাচ্চু এবং তাঁর ছেলে ফাহাদ এর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ ও তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এসব অভিযোগের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত আক্রোশ চরিতার্থ করা এবং সামাজিকভাবে আমাকে ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য সরবরাহ করেছে, যার ভিত্তিতে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, সংবাদ প্রকাশের পূর্বে আমার কিংবা অভিযুক্ত অন্য কোনো ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, যা দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
আমি দীর্ঘদিন নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। দায়িত্ব পালনকালে সর্বদা আইন-শৃঙ্খলা, জনস্বার্থ এবং জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছি। ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে আমি সবসময় শান্তি, সম্প্রীতি, আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেছি। ভবিষ্যতেও জনগণের আস্থা, সেবা এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অতএব, আমার এবং সংশ্লিষ্ট অন্যদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সকল অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সম্মানিত পাঠকদের বিভ্রান্তিকর ও একপাক্ষিক তথ্য দ্বারা প্রভাবিত না হওয়ার জন্য বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।
বিনীত,
এ.কে.এম. হোসাইন কাশেম
প্রতিবেদকের বক্তব্য:
উক্ত সংবাদ প্রকাশের পর এ.কে.এম. হোসাইন কাশেম তাঁর লিখিত প্রতিবাদলিপি দৈনিক ভোরের পাতা কার্যালয়ে প্রেরণ করেছেন। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতিমালা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য প্রকাশের নৈতিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে তাঁর প্রতিবাদলিপিটি পাঠকদের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হলো।
দৈনিক ভোরের পাতা বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশে অঙ্গীকারবদ্ধ। কোনো সংবাদে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য প্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করাকে আমরা সাংবাদিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করি।
ভবিষ্যতে এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য, গ্রহণযোগ্য প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।