বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই ২০২৬ ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

শিরোনাম: গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা জোরদার, মোতায়েন ৫ প্লাটুন বিজিবি   বিশ্বকাপের ৬১৭ কোটি টাকার লড়াই, ফাইনালে স্পেন-আর্জেন্টিনা   ফাইনালে উঠেই আবেগঘন স্কালোনি, বললেন ‘আমরা অনন্য’   ‘গোল ধরে রাখার মানসিকতাই কাল হলো’, আর্জেন্টিনার কাছে হেরে অকপট কেইন   বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়লেন মেসি   ৭ মিনিটের ঝড়ে ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়ে আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা   ইংল্যান্ড ম্যাচে আর্জেন্টিনার একাদশে বড় চমক   
৭ মিনিটের ঝড়ে ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়ে আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৪:১০ এএম   (ভিজিট : ৩২)

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষ হয়েছে ২-১ গোলে। এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। ২০২২ সালের শিরোপা ধরে রাখার সুযোগ পাচ্ছে তারা আগামী রোববার।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল শারীরিক ফুটবল খেলেছে। দ্বিতীয় মিনিটেই লিয়ান্দ্রো পারেদেস ধাক্কা দেন জুড বেলিংহামকে। এরপর থেকে দুই দলই একে অপরকে চাপে রাখার চেষ্টা করে। প্রথম কোয়ার্টারে কোনো দলই গোলের ভালো সুযোগ পায়নি।

১৯ মিনিটে প্রথম সেভ করেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। মরগান রজার্সের একটি ক্রস বক্সে ঠিকভাবে ধরতে পারেননি তিনি। তবে বিপদ হতে দেননি। ৩৫ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। মেসিকে ফাউল করার জন্য তাকে কার্ড দেখান রেফারি। এর কিছুক্ষণ পরই হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজও। জেড স্পেন্সকে আটকাতে গিয়ে জার্সি টেনে ধরেন তিনি।

প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়। তবে কার্ডের হিসাবে দুই দলই সমান ছিল। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার প্রথমার্ধে গোল পায়নি আর্জেন্টিনা। এর আগে প্রতিটি ম্যাচেই প্রথমার্ধে গোল করেছিল তারা, শুধু মিশর ম্যাচ বাদে।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলার ধরন পাল্টায়। ৫৫ মিনিটে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। মরগান রজার্সের ক্রস থেকে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন। এরপর ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোও হলুদ কার্ড দেখেন বেলিংহামকে ফাউল করে। এতে দুই সেন্টারব্যাকই লাল কার্ডের শঙ্কায় পড়ে যান।

খেলা যখন শেষের দিকে, তখন একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে আর্জেন্টিনা। মেসির ক্রস থেকে নিকো গনসালেসের হেড ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। এক মিনিট পরই আরেকটি হেড রুখে দেন তিনি। তবে ৮৬ মিনিটে আর ঠেকাতে পারেননি। ৭ মিনিটের পাগলামির শুরু সেখানেই। শর্ট কর্নার থেকে বল পেয়ে সমতা ফেরান এনজো ফের্নান্দেস। এর আগে তিনি অন্তত তিনবার চেষ্টা করেছিলেন গোলের জন্য।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে যোগ করা সময়ে। রেফারি ৯ মিনিট বাড়তি সময় দিয়েছিলেন। সেই সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির দারুণ এক ক্রসে হেড করেন লাউতারো মার্তিনেজ। বল জড়িয়ে যায় ইংল্যান্ডের জালে। এই গোলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এরপর আর কোনো গোল হয়নি। বাঁশি বাজতেই নিশ্চিত হয়ে যায় আর্জেন্টিনার ফাইনালে যাওয়া।










  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]