মঙ্গলবার ১৬ জুন ২০২৬ ১ আষাঢ় ১৪৩৩

শিরোনাম: বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে যাবে নতুন বই: শিক্ষামন্ত্রী   প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, শ্রমবাজার পুনরায় চালুর আশাবাদ   দুদক পুনর্গঠনে যেকোনো সময় গঠন হতে পারে সার্চ কমিটি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও আ. লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে স্পষ্টতা চাইলেন রুমিন ফারহানা   ট্রাইব্যুনালে ১০ মামলার মুখে বেনজীর, ফেরাতে পাঠানো হলো এনসিবিতে চিঠি   কচুয়ার নূরপুর ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয়ে সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু'র দায়িত্ব গ্ৰহন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান    আজ রাতেই নতুন গিলাফে মোড়ানো হবে কাবা শরিফ, ১১ মাসে প্রস্তুত কিসওয়া   
বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে যাবে নতুন বই: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১১:৫৩ পিএম   (ভিজিট : ৩১)

আগামী ২৫ ডিসেম্বর খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের পাঠ্যবই হাতে পাবে বলে আশা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আশা করছি এই বছরে ডিসেম্বর অর্থাৎ বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে তাদের বই পৌঁছে দেব।

“বইগুলো পরিমার্জিত বই এবং কারিকুলাম অনেকটা পরিবর্তন হয়েছে। ইনশআল্লাহ ২০২৮ সালে আমরা নতুনভাবে নতুন কারিকুলাম নিয়ে নতুন সিলেবাস নিয়ে আসতে পারব। ইতোমধ্যে মাধ্যমিক স্তরের বইগুলো পরিমার্জন হয়েছে। নতুন চারটি বিষয়ে আমরা বই নতুনভাবে দিচ্ছি এবং এই কর্মযজ্ঞ শিক্ষা মন্ত্রণালয় চালিয়ে যাচ্ছে।”

সাধারণত বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যের পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়। তবে এবার ২৫ ডিসেম্বরের আগেই তাদের হাতে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়ার কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশেরও ঘোষণা দেন।

মিলন বলেন, “ইতোমধ্যে আপনারা দেখেছেন মাধ্যমিক স্তরের এসএসসি পরীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে সুন্দরভাবে। প্রশ্নপত্র আউট হয়নি, নকল হয়নি এবং দুই মাসের ভেতরে আগামী ২০ জুলাইয়ের ভেতরে আমাদের রেজাল্টও আউট হয়ে যাবে।

“পরবর্তীতে আমরা সেশন জট এবং এই যে গ্যাপ রয়েছে আমাদের এসএসসি, এইসএসসি এবং ইউনিভার্সিটি এডুকেশনের, এই গ্যাপগুলোকে আমরা সমন্বয় সাধন করছি। আশা করছি ২০২৮ এর মধ্যে আমাদের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দেওয়ার পর সাথে সাথেই কলেজ অ্যাডমিশন এবং কলেজ শেষ করে ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশন পাবে।”

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকার শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে, সে কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, "আমরা দেখেছি বিগত দিনগুলোতে শিক্ষা খাতে জিডিপির ১.৬৯ শতাংশ দেওয়া হত। সেটি ছিল ৮৭ হাজার কোটি টাকা। এবার প্রধানমন্ত্রী এটিকে উন্নীত করে ২ শতাংশ করেছেন।

“সেই জায়গায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পেয়েছে ৪৭ হাজার কোটি টাকা আর মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক পেয়েছে ৫৭ হাজার কোটি টাকা। এই যে টাকা ব্যয় হবে শিক্ষা খাতে, আমরা চাই একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন।”

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মিলন। এসময় শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]