রবিবার ১৯ জুলাই ২০২৬ ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

শিরোনাম: ইরানের হামলায় জর্ডানে ২ মার্কিন সেনা নিহত   আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে বিপদে স্পেন   সৌদিতে হামলা মানেই পাকিস্তানে হামলা, তেহরানকে কড়া সতর্কবার্তা ইসলামাবাদের   বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটে আগুন, একটির দাম ৩৪ লাখ   রাজাকারদের বর্জন করতে হবে, না হলে বাংলাদেশ থাকবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   ফিফার বিশ্বকাপ লভ্যাংশ থেকে অর্থ পাবে বাংলাদেশও   আবারও কলকাতায় আসছেন মেসি, ঢাকায় আসবেন কি বিশ্বজয়ী তারকা?   
নারী দিবস কী জানে না শ্রমজীবী নারীরা!
আবুল হোসেন, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ২:১৬ পিএম   (ভিজিট : ১৫২২)

আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস।  কিন্তু নারী দিবসের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন নয় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের শ্রমজীবী নারীরা।

গোয়ালন্দ বাজার আড়ৎপট্টি পিয়াজের আড়তে কাজ করছেন কমেলা বেগম(৪০) দুই সন্তানের জননী। আন্তর্জাতিক নারী দিবস সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা কোনো দিবস বুঝি না। অভাবের তাড়নায় সংসার চালানোর জন্য কাজ করি। নারী দিবস দিয়ে আমাদের কি উপকার হবে। 

দৌলতদিয়া চরকর্ণেশন মাঠে কৃষি কাজ করছেন লালভানু বেগম (৪৫) তিনি  বলেন,অভাবের তাড়নায় আমরা মাঠে কাজ করি। কাজ করলে মুজুরী পাই কাজ না করলে কি আমরা মুজুরী পাবো?  আমরা মাঠে পুরুষের সমান কাজ করি কিন্তু আমাদের মুজরী  তাদের সমান দেওয়া হয় না। আমাদের কে কাজে  অগ্রাধিকার দেওয়া হয় না। আমরা নারীরা বঞ্চিত। পুরুষের মতো বেতন পেলে আমাদের কোনো সমস্যা থাকতো না। লালভানু বেগমের মতো  অনেকে নারী মাঠে কৃষকের সাথে পাল্লা দিয়ে কৃষি কাজ করছেন।  তারা প্রতিদিন ভোরে রান্নাসহ বাসার সব কাজ সেরে সকাল ৭ টার মধ্যে বেরিয়ে পড়েন। মাঠে কাজ শেষ  করে সন্ধ্যার মধ্যে বাড়িতে ফিরে স্বামী সন্তানেদের জন্য রান্না খাওয়া দাওয়ার  ব্যবস্তা করেন। 
যৌনকর্মী (ছদ্দনাম) পপি আক্তার বলেন, নারী দিবস কবে তা আমার জানা নাই।  আমরা সমাজের অবহেলা নারী। আমাদের কথা কেও ভাবে না। আমাদের কে সমাজের মূলস্রোতের সঙ্গে মিশতে দেওয়া হয় না। সমাজের মানুষ আমাদের কে বাঁকা চোখে দেখে। প্রতিবছর নারী দিবস পালন করা হলেও আমাদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয় না। 

নারী উদ্দ্যোক্তা ও উপজেলা শ্রেষ্ঠ জয়িতা   জাসমা বেগম বলেন,আমি গৃহিণী থেকে আজ ব্যবসা- কৃষিকাজ সহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান করেছি। আজ আমি নিজের পায়ে দ্বাড়িয়েছি। পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতা করে কাজ করে যাচ্ছি।  প্রতিদিনই আমাদের নারী দিবস। আমরা নারীরা আজ সমাজে প্রতিযোগিতা করেই সমাজে টিকে আছি। প্রশাসনের নিকট আমাদের দাবি নারীদের সকল কাজে অগ্রাধিকার দেওয়া।  

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, নারীদের জীবনমান উন্নয়নে পুরুষদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করার প্রয়োজন।  শ্রমজীবী নারীদের কাজে সকলের সহযোগিতার হাত বাড়ীয়ে দিতে হবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে কোন কাজে নারীদের সহযোগিতা করা হবে। 









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]