
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমি আমার অবস্থান থেকে আমার দেশের, আমার দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং সেই স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করেছি।’
শনিবার (২৯ জুন) বেলা ১১ টার দিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আমাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ দেখার জন্য। আমাদের দলের অবস্থান থেকে আমরা একটি স্লোগান ব্যবহার করি, সেটি হচ্ছে-বাংলাদেশ ফার্স্ট বা বাংলাদেশ প্রথম। আমি আমার অবস্থান থেকে আমার দেশের, আমার দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং সেই স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখানে আমাদের কারোরই কোনো ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নেই। যদি কোনো কিছু অর্জন হয়ে থাকে, ভালো কোনো কিছু অর্জন হয়ে থাকে, এটি বাংলাদেশের অর্জন। এই সফরের মাধ্যমে যদি দেশের মানুষের কোনো অর্জন হয়ে থাকে, সেটি এ দেশের মানুষের অর্জন।’
এর আগে ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার গঠনের চার মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন। এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের ভিত্তি ছিল পারস্পরিক মর্যাদা, পারস্পরিক স্বার্থ, হস্তক্ষেপ না করা এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন।
বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমান প্রস্তাব সমর্থন করে বলেন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে বিরোধী দল সরকারকে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে বিদেশের সঙ্গে মৌলিক চুক্তি সংসদে আনার আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপি সরকার গঠনের পর তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গত ২১ জুন মালয়েশিয়া যান। পরদিন মালয়েশিয়ার আনুষ্ঠানিকতা সেরে তিনি চীন সফরে যান। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এ সফরে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা এবং মালয়েশিয়ার সঙ্গে একটি সমঝোতা ও দুটি দলিল বিনিময় করে বাংলাদেশ।