
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাফল্য কামনা করে রাজধানীতে আনন্দ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কাকরাইল মোড় থেকে শুরু হওয়া বর্ণাঢ্য মিছিলটি আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পরে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ১ নম্বর সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের অন্যতম সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, রাসেল মাহমুদ, এম জি মাসুম রাসেল, শফিউদ্দিন সেন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল্লাহ ফয়েজ ও নাসিমা আক্তার শিমু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, সহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রহমান রাজীব, দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, বাজেটের যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীল খাত আরও শক্তিশালী হবে এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বক্তারা আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তারা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ প্রস্তাবিত বাজেটকে সময়োপযোগী ও জনমুখী উল্লেখ করে এর বিভিন্ন ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অগ্রযাত্রা আরও ত্বরান্বিত হবে।
শেষে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে এবং জাতীয় অগ্রগতির স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।