অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইকবাল হোছাইন বলেন, ১৯৪৭ সালে যে হিউম্যান রাইটস যে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। কিন্তু ইসলাম বহু আগেই মানবতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। আদম (আ.) থেকে শুরু করে মহানবী (সা.) এর মাধ্যমে মানবতার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ পেয়েছে। তৎকালীন সভ্য মানুষ সবাই স্বীকৃতি দিয়েছে। মহানবী (সা.) যখন ইসলাম প্রচার করছিলেন, তখন ছিল আইয়ামে জাহেলিয়া যুগ। ওই সময়ে মানবতা প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন আমাদের প্রিয় নবী।
তিনি আরো বলেন, যারা সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য ইসলামের অপব্যাখা করেন, তারা হয়তো ইসলামের মূল নীতির সাথে সম্পৃক্ত নন। রাসুল (সা.) যখন নবুয়ুত প্রাপ্ত হন তিনি ছিলেন একা। নবীকে রক্ষা করতে তার চাচা আবু তালেব সারাজীবন কাজ করে গেছেন। জীবনও দিয়েছেন। কিন্তু তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মুসলিম হননি। ইসলাম তখন কিছুটা দুর্বল ছিল। ইসলামের শুরু থেকেই অমুসলিমরা ইসলামের পক্ষেও কাজ করেছে। মক্কায় নবীর ওপর যখন আক্রমণ করেছিল, তখন অনেক অমুসলিম তাকে রক্ষা করেছেন। নবী করিম (সা.) অমুসলিম গোত্রগুলোর মধ্যে সংঘাত নিরসনে কাজ করেছেন। কারণ সামাজিক প্রেক্ষাপটে সেটা প্রয়োজন ছিল। ইসলামী আইনের দুইটি দিক রয়েছে একটি হচ্ছে বিশ্বাসগত ইবাদতী। এটার সঙ্গে অমুসলিমদের সাথে সম্পর্ক নেই। তবে সামাজিক প্রেক্ষাপটে যে বিশ্বাস রয়েছে সেখানে বিধর্মীদের সমান অধিকার রয়েছে। যেমন আমি যে রাস্তা ব্যবহার করি, সে রাস্তা অন্য ধর্মের একজন মানুষও ব্যবহার করবে। এটাই নিয়ম।