উচ্ছেদ অভিযানে খবর পেয়ে আগেই মাদ্রাসা ছেড়েছেন মাওলানা মাহফুজুল হক। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসার আগে না সরলে তাদের মুখোমুখি হতে হতো মাওলানা মাহফুজুল হককে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে তিনি আগেই মাদ্রাসা ছেড়েছেন।
একই সঙ্গে আগেভাগে বেরিয়ে গিয়ে নিজেদের ‘ভিকটিম’ হিসেবে উপস্থাপন করারও কৌশল নিয়েছেন বলেও সংশ্লিষ্টরা বলছেন।
এদিন সকালে বর্তমান মুহতামিম প্রয়াত আজিজুল হকের ছেলে মাওলানা মাহফুজুল হক মাদ্রাসার মূলফটকে তালা দিয়ে বেরিয়ে যান। এ সময় মাদ্রাসার চাবি কওমি শিক্ষা বোর্ড আল হাইআতুল উলিয়ার চেয়ারম্যান মাওলানা মাহমুদুল হাসানের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এদিন বেলা ১২ টা পর্যন্ত মাওলানা মাহমুদুল হাসানের কাছে কোনো চাবি পৌঁছেনি বলে জানা গেছে।
এদিকে ওয়াকফ সোমবার দুপুর আড়াটায় সংবাদ সম্মেলন ঢেকেছে ওয়াকফ অ্যাস্টেট অনুমোদিত জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া সাত মসজিদ মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি। ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদ্রাসা বুঝে পাওয়ার পর সার্বিক বিষয়ে কথা বলবেন তারা।
প্রসঙ্গত, মোহাম্মদপুরের জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া শীর্ষস্থানীয় একটি কওমি মাদ্রাসা। ১৯৮৮ সালে ওয়াকফ সম্পত্তিতে গড়ে ওঠা এই মাদ্রাসাটি ২০০১ সালে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় আল্লামা আজিজুল হকের পরিবার। তার ছেলে মাহফুজুল হক ও মামুনুল হকরা পরে হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।
ভোরের পাতা/কে