মঙ্গলবার ● ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ● ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শিরোনাম: আমার বাবা ভালো বাবা, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে   সব সম্প্রদায়ের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির   জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন • প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের অংশগ্রহণে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন   জামায়াতের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা নিয়ে জাতীয় নির্বাচন করেছে এনসিপি: রাশেদ খান   বাংলাদেশকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিল না পাকিস্তান   তারেক রহমানের ফেনী সফর ঘিরে নিরাপত্তার ছক চূড়ান্ত   ন্যাম ভবনের বারান্দাতেও ঘুমাতে হতো মরিয়মকে: পুলিশ   
"সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন ছাড়া পাস হলে দেশ বৃহৎ কারাগারে পরিণত হবে"
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৬ পিএম   (ভিজিট : ৩৯)

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন ছাড়া পাস করা হলে বাংলাদেশ একটি ‘বৃহৎ কারাগারে’ পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া নিয়ে গণমাধ্যমের শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘সংশোধন ছাড়া যদি এই আইন পাস হয়, তাহলে বাংলাদেশ একটি বৃহৎ কারাগারে পরিণত হবে।’

সভায় ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম বলেন, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া পর্যালোচনা করে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উদ্বেগ জানিয়েছেন। বর্তমান খসড়া অনুযায়ী আইনটি পাস হলে গণমাধ্যমের কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

তিনি বলেন, সরকার আইনটি নিয়ে আরও আলোচনার সুযোগ দেওয়ায় গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সন্তুষ্ট। সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ গ্রুপ এবং গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে আরেকটি গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এসব গ্রুপের আলোচনার মাধ্যমে গণমাধ্যমের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রস্তাব দেওয়া হবে।

মাহফুজ আনাম আরও বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে প্রত্যেকেই কোনো না কোনোভাবে সাইবার জগতের সঙ্গে যুক্ত। গণমাধ্যমেরও অনলাইন, মাল্টিমিডিয়া ও ডিজিটাল কার্যক্রম রয়েছে। তাই সাইবার অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনতে গিয়ে এমন কোনো আইন করা উচিত নয়, যার কারণে শেষ পর্যন্ত গণমাধ্যমের কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রস্তাবিত আইনের বিভিন্ন ধারায় এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যেগুলোর সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, এসব শব্দের পরিষ্কার সংজ্ঞা না থাকলে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে ভিন্ন ব্যাখ্যা ও অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এ ছাড়া প্রস্তাবিত আইনে কয়েকটি অপরাধের জন্য দুই বছর, পাঁচ বছর এবং সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সাজা দেওয়ার বিধান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মাহফুজ আনাম। তিনি বলেন, কোনো প্রতিবেদক প্রতিবেদন প্রকাশের পর যদি তাকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সাজা দেওয়া হয়, তাহলে তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।












  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]