শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬ ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

শিরোনাম: বন্যার আশঙ্কায় ৯ জেলায় আগাম সতর্কতা জারি   বেক্সিমকোর ঋণ জালিয়াতি: জনতা ব্যাংকের ১০ কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ   বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের দাম আকাশছোঁয়া, সর্বনিম্নই ৮ হাজার ডলারের কাছাকাছি   সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করল ঢাকা উত্তর সিটি   জান্নাতের ১০ মহা নেয়ামত, যা মুমিনকে অভিভূত করবে   ফুটবলের সঙ্গে মানবিকতার জয়, ফিলিস্তিনিদের পাশে নরওয়ে   নতুন নৌবাহিনী প্রধান হলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম   
বিদায়ের পর মুখ খুললেন কেইন, জানালেন কোথায় হয়েছিল ভুল
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ২:৪৯ পিএম   (ভিজিট : ৪৫)

আরও একবার আশা জাগিয়েও হতাশাময় বিদায়। বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার জন্য ইংল্যান্ডের অপেক্ষা বেড়ে দাঁড়াল ৬৪ বছরে। তবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেই অপেক্ষা ঘোচানোর খুব কাছে চলে গিয়েছিল তারা। শেষ পর্যন্ত কেন সেটি হয়নি দ্রুতই তা বুঝে গেছেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

আটলান্টা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরেছে ১৯৬৬ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। অথচ ম্যাচের ৫৫ মিনিটে তারাই করেছিল প্রথম গোল। এরপর সেখান থেকেই কামব্যাকের গল্প লেখে আর্জেন্টিনা।

প্রথম ৮৫ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শটে বল জালে জড়ান এনজো ফার্নান্দেজ। এরপর ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে লিওনেল মেসির ক্রসে চমৎকার হেডে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করে দেন লাউতারো মার্তিনেজ।

এমন পরাজয়ের পর বিবিসিকে দেওয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় কেইন জানিয়েছেন, মূলত প্রথম গোল করার পর আর গোল না দিয়ে শুধু সেই লিড ধরে রাখার চেষ্টা করেই ভুল করেছে ইংল্যান্ড।  

“আমরা ম্যাচের বেশিরভাগ সময় ভালো খেলেছি। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর আমরা মনে হয় রক্ষণাত্মক হয়ে পড়েছিলাম ও লিড ধরে রাখার চেষ্টা করছিলাম। যা এই পর্যায়ে যথেষ্ট নয়।” 

“তাই খুব খারাপ লাগছে, কারণ এখানে আসার জন্য আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং ছেলেরা মাঠে নিজেদের শেষ বিন্দু পর্যন্ত ঘাম, রক্ত ও অশ্রু দিয়ে লড়াই করেছে। ছেলেদের জন্য খুব খারাপ লাগছে, সবার জন্য খারাপ লাগছে—পুরো দল, স্টাফ এবং ভক্তদের জন্য।”

১৯৬৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আর ফাইনালে উঠতে পারেনি ইংল্যান্ড। এরপর ১৯৯০ ও ২০১৮ সালেও সেমি-ফাইনালে থেমেছিল তাদের যাত্রা। আরও একবার শেষ চারেই বিদায়ঘণ্টা বাজার পর হতাশার শেষ নেই কেইনের।

“শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হওয়াটা সত্যিই খুব কষ্টের। এই টুর্নামেন্টে আমাদের অনেক ভালো মুহূর্ত ছিল, অনেক ভালো ম্যাচ খেলেছি এবং আবারও সেমিফাইনালে এসেছি।”

“আমরা সবসময় বলি যে আমরা সাফল্যের দরজায় কড়া নাড়ছি, আমরা খুব কাছাকাছি আছি; শুধু টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায়ে এসে যে ঘাটতিটা আমাদের আছে, তা খুঁজে বের করতে হবে।”

“এই টুর্নামেন্টগুলো প্রচুর শারীরিক পরিশ্রম, চাপ এবং মানসিক শক্তির দাবি রাখে। আমরা গত ছয়-সাত সপ্তাহ ধরে যে সময়টা একসঙ্গে কাটিয়েছি, তাতে আমরা নিজেদের প্রমাণ করেছি, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই শেষ কাজটুকু বা ঘাটতি পূরণ করা আমাদের বাকি রয়ে গেছে।”











  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]