বুধবার ১৭ জুন ২০২৬ ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

শিরোনাম: সাতক্ষীরায় তিন দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ চন্দনা   সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিলেন ডিএমপি কমিশনার   সাবেক এমপি ও মায়ের ঘনিষ্ঠ সহচর খালেদা রাব্বানীকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী   ইরানকে নতুন করে বোমা হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের   দুঃখ-কষ্ট কেন আসে? প্রতিটি পরীক্ষায় লুকিয়ে থাকে রহমতের ইঙ্গিত   ভিসা জটিলতা কাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসছেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষকের মা   নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে, বাড়ার সুযোগ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী   
শিশু আয়াত হত্যায় আবীরকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১:৫৭ পিএম   (ভিজিট : ৪২)

চট্টগ্রামে শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে হত্যার পর লাশ ৬ টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রধান আসামি আবীর আলীর মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ১ লাখ অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আবীর আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। শনিবার চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাসের আদালতে এ মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। এ মামলায় ৩৩ জন সাক্ষ্য দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, আবীর আলীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, সুরতহাল রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট, আলামত উদ্ধার এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি পর্যালোচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হ‌ওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

তিনি জানান, আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছেন, এই ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত, নিষ্ঠুর নৃশংস, নির্মম ও সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী ক্রাইম পেট্রোল থেকে উদ্বুদ্ধ হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন জানান, মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায় দিয়েছেন।

জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে পরিবারের আবেদনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ছায়া তদন্ত শুরু করে।

তদন্তে উঠে আসে, আয়াতকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন তাদের বাসার ভাড়াটে মো. আবির। ২৫ নভেম্বর তাকে গ্রেফতারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন।

পিবিআই সূত্র জানায়, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশে আয়াতকে অপহরণ করা হয়েছিল। পরে পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে তাকে হত্যা করা হয়। পরে তার খণ্ডিত লাশ সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেওয়া হয়।

তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে মো. আবির ও তার ১৭ বছর বয়সি এক বন্ধুকে আসামি করা হয়। তিনি কিশোর হওয়ায় মামলা আলাদাভাবে শিশু আদালতে বিচারাধীন। 









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]