মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬ ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

শিরোনাম: বিএনপির বড় বিশৃঙ্খলার চেষ্টা আ.লীগের সতর্কতায় বিফল: তথ্যমন্ত্রী   সংকটকে সম্ভাবনায় রূপ দিতে কাজ করছে সরকার: কাদের   নাটোরে ট্রেনে কাটা পড়ে ৩ জনের মৃত্যু   ‘কিছুই করি নাই শ্রেণিটা’ চোখ থাকতেও দেখে না: প্রধানমন্ত্রী   রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম: পরীমনি   সৌদি আরবের ক্লাবে যোগ দিলেন রোনালদো   বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী   
ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ নেতারা কে কোথায়?
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৩ মে, ২০২২, ৩:৩১ পিএম   (ভিজিট : ১৩৩০)

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যারা একসময় তুখোড় নেতা ছিলেন, পরবর্তীকালে অল্প কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া তাদের বেশিরভাগই মূল অভিভাবক সংগঠন আওয়ামী লীগে অবস্থান তৈরি করতে পারেননি। ছাত্র রাজনীতিতে প্রভাবশালী হয়েও মূল দলের রাজনীতিতে তারা হারিয়ে গেছেন। তাদের কেউ কেউ দলের পক্ষ হয়ে সংসদ নির্বাচনে গেছেন বটে। কিন্তু দলের ভেতরে চলে গেছেন পেছনের সারিতে। অনেকে হতাশ হয়ে দল বদল করে ভিন্ন দলেও চলে গেছেন। আবার কেউ কেউ মন্ত্রী হয়েছেন, জাতীয় সংসদে হয়েছেন হুইপ।

’৯০ এর পর থেকে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের রাজনৈতিক পরিণতির খতিয়ান তুলে ধরা হয়েছে এ প্রতিবেদনে।

হাবিবুর রহমান হাবিব: ’৯০ সালের সম্মেলনে ছাত্রলীগের সভাপতি হন হাবিবুর রহমান হাবিব। এরশাদবিরোধী ছাত্রগণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে দেশব্যাপি বিপুল পরিচিত এবং জনপ্রিয়তা পান তিনি। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে পাবনার একটি আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়া হয় তাকে। ’৯৬ সালের নির্বাচনে দলের মনোনয়ন লাভে ব্যর্থ হয়ে হাবিব যোগ দেন বিএনপিতে। সে বছর বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয়ী হতে পারেননি। সেই থেকে হাবিব বিএনপিতেই রয়ে যান। বর্তমানে তিনি দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং পাবনা জেলা বিএনপি সভাপতি।

শাহে আলম: ’৯০ এর ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের সহসভাপতি পদে থেকে ভিপি পদে মনোনয়ন পেয়েছিলেন ছাত্রনেতা মোহাম্মদ শাহে আলম। পরের বছর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন তিনি। কিন্তু ডাকসু নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর রাজনীতি থেকেই একরকম হারিয়ে যান। ২০০২ সালে আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলের আগে পর্যবেক্ষক সদস্য হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় ডাক পেলেও কাউন্সিলে নির্বাচিত কমিটিতে স্থান পাননি শাহে আলম। পরবর্তীতে উপ-কমিটির সদস্য হন। তবে এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতা হয়ে ওঠা হয়নি তার। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পেয়ে নৌকা মার্কা নিয়ে বরিশাল-২ আসনে বিজয়ী হন ছাত্রলীগের সাবেক এ নেতা।

অসীম কুমার উকিল: হাবিবুর রহমান হাবিব ও মোহাম্মদ শাহে আলমের সঙ্গে জুটি বেঁধে ছাত্রলীগে নেতৃত্ব দিয়েছেন অসীম কুমার উকিল। সাধারণ সম্পাদক হিসাবে তিনি ’৯০ এর ছাত্রগণঅভ্যুত্থানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন। ২০০২ সালে আওয়ামী লীগে উপপ্রচার সম্পাদক হন তিনি, যার ধারাবাহিকতা ছিল ২০১৯ পর্যন্ত। পরপর চারটি সম্মেলনে তিনি একই পদে ছিলেন। দলের ২০১৯ সালের সম্মেলনে এসে সাংস্কৃতিক সম্পাদক হয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে হয়েছেন প্রথমবারের মতো এমপি। তার স্ত্রী যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদিক অপু উকিল আরও আগেই সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। রাজনীতিতে কাঙ্খিত উত্থান না হলেও ধন-সম্পদে এই দম্পতির উত্থান ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক থেকে তাদের সম্পত্তির হিসাব চাওয়া হয়।

মঈনুদ্দীন হাসান চৌধুরী: বলা হয়ে থাকে ছাত্রলীগের সবচেয়ে মেধাবী এবং চৌকস সভাপতি ছিলেন মঈনুদ্দীন হাসান চৌধুরী। ১৯৯২ সালে মঈনুদ্দীন হাসান চৌধুরীকে সভাপতি ও ইকবালুর রহিমকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ছাত্রলীগ নব উদ্যমে আত্মপ্রকাশ করে। ’৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মঈনুদ্দীন হাসান চৌধুরীকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী করা হয়। কিন্তু তিনি হেরে যান। এরপর আর মনোনয়ন পাননি। প্রতিটি সম্মেলনের আগে তার নাম আলোচিত হলেও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আজও কোনো পদ পাননি তিনি।

ইকবালুর রহিম: মঈনুদ্দীন হাসান চৌধুরীর রানিং মেট ছিলেন ইকবালুর রহিম। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ছিল বলিষ্ঠ ভূমিকা। সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগের এককালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি প্রয়াত আব্দুর রহিমের সন্তান ইকবালুর রহিম দিনাজপুর-৩ আসনে সংসদ সদস্য হয়েছেন বেশ কয়েকবার। কিন্তু এখনও হতে পারেননি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা। রাজনৈতিক পদ-পদবি না পেলেও সংসদীয় রাজনীতিতে তিনি উল্লেখযোগ্য মুখ, কেননা তিনি বর্তমান সংসদের সরকার দলীয় হুইপ।

এনামুল হক শামীম: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি এ কে এম এনামুল হক শামীম ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন ’৯৪ সালের সম্মেলনে। পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সহকারি হিসেবে কাজ করেন। মূল দলে প্রথমে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য এবং পরে সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ পান। বর্তমান কেবিনেটে দায়িত্ব পান পানিসম্পদ উপ-মন্ত্রীর। ২০১৮ সালের নির্বাচনে শরিয়তপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলীকে বয়সজনিত কারণে মনোনয়ন না দিয়ে এনামুল হক শামীমকে দেয়া হয়। প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই তিনি পান উপমন্ত্রীর পদ। কিন্তু দলের ২০১৯ সালের সম্মেলনে পদ হারান। দল এবং সরকার আলাদা করার অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নেন দলের প্রধান শেখ হাসিনা। বলা হয়ে থাকে, সাবেক সভাপতিদের মধ্যে দলে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছেন এনামুল হক শামীম।

ইসহাক আলী খান পান্না: এনামুল হক শামীম সফল হলেও ছাত্রলীগের একই কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্নার পাল্লা শূন্য। তিনি ’৯৪ সালের সম্মেলনে নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে পিরোজপুর-২ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেলেও পরে জোটগত কারণে ওই আসন তার হাতছাড়া হয়ে যায়। পরে দলের উপ-কমিটির সদস্য হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাকে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ক্যান্সারে হারিয়েছেন তার সহধর্মিনী সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী বাঁধনকে। আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো বলছে, পান্নার ব্যর্থতার পেছনে আঞ্চলিকতার সমীকরণও কাজ করে থাকতে পারে। তিনি বরিশাল অঞ্চলের নেতা। কেন্দ্রীয় কমিটিতে আগে থেকেই বরিশাল অঞ্চলের নেতাদের আধিক্য। উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ডা. শাম্মী আহম্মেদ, সাবেক আইন সম্পাদক এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আনিসুর রহমান প্রমুখ বরিশাল থেকে।

বাহাদুর বেপারী: ১৯৯৬ সালে ছাত্রলীগের সভাপতি হন বাহাদুর বেপারী। ছাত্রনেতা হিসেবে ছিলেন দারুন জনপ্রিয়। কিন্তু পূর্বসূরী মাইনুদ্দিনের চেয়েও খারাপ অবস্থা বাহাদুর বেপারির। গত দুই সম্মেলনে দলের কোনো পর্যায়েই কোনো পদ ছিলো না তার। সর্বশেষ ২০১৯ এর সম্মেলনের পর তার সময়ের ছাত্রলীগ নেতা এবং বর্তমানে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনের উপ-কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন বাহাদুর বেপারি। তার এলাকা শরিয়তপুরে রয়েছে নেতৃত্ব জট। শরিয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা আব্দুর রাজ্জাক। সেখানে এখন তার ছেলে নাহিম রাজ্জাক সংসদ সদস্য। এদিকে ওই জেলা থেকে কেন্দ্রীয় নেতা রয়েছেন এনামুল হক শামীম, ইকবাল হোসেন অপু, বি এম মোজাম্মেল হক প্রমুখ। এ ছাড়া এক-এগারোর সময় কাঙ্খিত ভূমিকা পালন করতে না পারায় বাহাদুর বেপারি দলের সভাপতি শেখ হাসিনার আস্থা হারান। এসব কারণে তার যেখানে থাকার কথা ছিল, সেখানে তো তিনি নেই-ই, বরং টিকে থাকাই দায়।

অজয় কর খোকন: ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে সবচেয়ে করুণ অবস্থা অজয় কর খোকনের। তিনি ১৯৯৬ সালের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক হন। ছাত্রলীগ থেকে অবসর নেয়ার পরও ভালোই আলোচনায় ছিলেন। কিন্তু এক-এগরোর প্রেক্ষাপট পাল্টে দেয় সব কিছু। দূরে সরে যান আওয়ামী লীগ থেকে। পদ-পদবি কিংবা দলীয় মনোনয়ন কোনোটাই পাননি।

লিয়াকত শিকদার: ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার সংগঠন থেকে অবসর নেয়ার পর ২০১২ সালে আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সদস্য হন। সেটাই তার শেষ পদ। দলে এখন অনেকটাই অপাংক্তেয়। ফরিদপুর-১ আসনে মনোনয়ন চেয়ে পাননি। এ দিকে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়ে ভুল জায়গায় তদবির করার কারণে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তার প্রতি বিরাগভাজন। এ ছাড়া হাওয়া ভবনেও তার যোগাযোগ ছিল বলে বাজারে গুজব প্রচলিত। এখন ঠিকাদারি ব্যবসাতেই বেশি ব্যস্ত তিনি।

নজরুল ইসলাম বাবু: নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, যার সভাপতি ছিলেন লিয়াকত শিকদার। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে পদ না পেলেও ইতিমধ্যেই একাধিকবার সংসদ সদস্য হয়েছেন তিনি।

সাম্প্রতিক নেতারা:

মাহমুদ হোসেন রিপন ছাত্রলীগের সভাপতি হয়েছিলেন ২০০৬ সালের সম্মেলনে। এখন আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য। রিপন গাইবান্ধা-৫ আসনে শক্তিশালী প্রার্থী হিসাবে এলাকায় অবস্থান করে নিয়েছেন।

ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার রোটন চৌধুরী ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপনের সময়ের সাধারণ সম্পাদক। তিনিও উপকমিটির সদস্য। এর বাইরে ব্যবসায় অনেক ভালো অবস্থান করে নিয়েছেন রোটন।

ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগও এখন উপকমিটির সদস্য। বাগেরহাটের একটি আসনে মনোনয়নের দাবিদার তিনি।

ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে পদ যাওয়ার পরপরই নানা অভিযোগ ওঠে। এমনকি বিমানবন্দরে চোরা-চালানির সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে গুজব রটে। এখন তিনি লন্ডনপ্রবাসী।

ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহাগ এখন আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য। ব্যক্তিগত ব্যবসা নিয়ে আছেন।

সংগঠনটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বি এম জাকির হোসেনও আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য। দলের কর্মসূচিতে বেশ সক্রিয় তিনি।

ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে। সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীসহ তাকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। সূত্র: নিউজবাংলা









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]