সোমবার ২২ জুন ২০২৬ ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

শিরোনাম: বিএনপির বড় বিশৃঙ্খলার চেষ্টা আ.লীগের সতর্কতায় বিফল: তথ্যমন্ত্রী   সংকটকে সম্ভাবনায় রূপ দিতে কাজ করছে সরকার: কাদের   নাটোরে ট্রেনে কাটা পড়ে ৩ জনের মৃত্যু   ‘কিছুই করি নাই শ্রেণিটা’ চোখ থাকতেও দেখে না: প্রধানমন্ত্রী   রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম: পরীমনি   সৌদি আরবের ক্লাবে যোগ দিলেন রোনালদো   বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী   
বিদ্যুৎ খাতে লোপাট: ৪০ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে খোরশেদ-মাসুদুল সিন্ডিকেট!
#অস্ট্রেলিয়াতে সম্পদের পাহাড় গড়েছে খোরশেদুল পুত্র ড্যানি। #পায়রা বিদ্যুত কেন্দ্র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের নামেও অর্থ লোপাটের অভিযোগ। #বিদ্যুৎখাতকে ধ্বংস করতেই দুর্নীতিবাজ মাসুদুলকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বানাতে মরিয়া কালো সিন্ডকেট।
উৎপল দাস, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২২, ৮:২৯ পিএম   (ভিজিট : ৬৪৭)

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একমাত্র রাষ্ট্র হিসাবে শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশ হিসাবে বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই নাম লেখানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভাগ সম্মানজনক স্বাধীনতা পুরুস্কারও অর্জন করেছে। তবে এ খাতকে ধ্বংস করার জন্য বিএনপি-জামায়াতপন্থী প্রকৌশলীরা সুকৌশলে লুটপাট, অনিয়মের মাধ্যমে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ খাতের রাষ্ট্রয়াত্ কোম্পানি নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেড সরকারি প্রতিষ্ঠান হলেও প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৫ বছর একই ব্যক্তি প্রকৌঃ এ এম খোরশেদুল আলম ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে স্বৈরাচারীভাবে তার রাজত্ব পরিচালনা করে যাচ্ছে। এমনকি দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি-জামায়াতপন্থী প্রকৌশলীদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন অশুভ কালো এক সিন্ডিকেট। খোরেশদুল সিন্ডিকেটের নানা অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে ‘ এক খোরশেদেই বিদ্যুতের সর্বনাশ’ শিরোনামে ভোরের পাতায় বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল ২০২২ সালের ৭ এপ্রিল। এরপর ভোরের পাতার এ প্রতিবেদক নানা বিষয়ে আরো বিস্তর খোঁজ খবর নিয়েছে বিদ্যুত খাতের লুটেরাদের সম্পর্কে। 

ভোরের পাতা অনুসন্ধান ও পত্রিকার কাছে সংরক্ষিত কাগুজে তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, গত ১৫ বছরে বিদ্যুত খাতে থেকে কমপক্ষে ৪০ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে  নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রকৌ: এ এম খোরশেদুল আলম এবং একই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক (অর্থ) এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মো. মাসুদুর রহমান গং মিলে। 

উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ (আইইবি)’র সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ. মো. শাহাদাত হোসেন (শিবলু) স্বাক্ষরিত চিঠিতে (স্মারক নম্বর: সদ/আইইবি/জি/বিবিদ/২০২২/২৩৪২) এবং ২০ অক্টোবর বাংলাদেশ পানি ও বিদ্যুৎ প্রকৌশলী সমিতির মহাসচিব প্রকৌ. মো. জুলফিকার আলী স্বাক্ষরিত আরেক চিঠিতে (স্মারক নম্বর: ১২০/বাপাবিপ্রস/৪.০/২০১৮-২০১৯) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছেন, কারিগরী পদে অকারিগরী কর্মকর্তাদের পদায়ন বন্ধ করতে অনুরোধ করেছেন। এই দুইটি লিখিত আবেদেনের সাথে তিন পৃষ্ঠার একটা সংযুক্তিও তারা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুকে। 

সংযুক্তিতে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের সার্ভিস রুল অনুযায়ী শুধু প্রকৌশলীরা কোর ক্যাডারের অন্তর্ভুক্ত এবং মানবসম্পদ বিভাগ, অর্থ-হিসাব বিভাগ নন-কোর ক্যাডারভুক্ত। তবে নন-কোর ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তা হিসাবে কোম্পানির বর্তমান নির্বাহী পরিচালক মাসুদুল ইসলমাকে বারবার অনৈতিক সুবিধা দিয়ে পদোন্নতি উপ মহাব্যবস্থাপদক থেকে এ পদে এনেছেন বর্তমান এমডি ও সিইও নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্মা প্রকৌঃ এ এম খোরশেদুল আলম। খোরশেদুল আলমের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তার অনুসারী হিসাবে মাসুদুল ইসলামকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বানাতে একটি কালো সিন্ডিকেট জোরেশোরে কাজ শুরু করেছে। উল্লেখ্য, নির্বাহী পরিচালক (অর্থ) মাসুদুল ইসলামের শিক্ষাগত যোগ্যতা বি কম (ব্যাচেলর অব কমার্স)।  নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌ. খোরেশদুল আলমের দুরভিসন্ধির কারণে কোম্পানীর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে ১৭ জন আবেদন করেছে, তারমধ্যে নন-টেকনিক্যাল শুধুমাত্র মাসুদুল ইসলাম। সিভি বাছাই কমিটি ১০ জনের শর্টলিস্ট করেছে, তারমধ্যে শুধু মাসুদুল আলম ছাড়া বাকী ৯ জনই বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ার ডিগ্রীধারী। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মতো প্রতিষ্ঠানের ১ জন পরিচালক শর্টলিস্টে আছেন, ২ জন সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশীপ কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ১ জনসহ নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানীর কর্মরত প্রধান প্রকৌশলী ৩ জন, ডিপিডিসি ও নেসকোর প্রধান প্রকৌশলীসহ ২ জন সংক্ষিপ্ত তালিকায় রয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। হেভিওয়েট ৯ জন ইঞ্জিনিয়ার প্রার্থী থাকার পরও খোরশেদুল আলম নিজে প্রকৌশলী হওয়ার পরও কেন বি.কম পাশ জনাব মাসুদুল আলমকে কেন ব্যবস্থাপনা করতে মাঠে নেমেছে তা বুজে নিয়ে ব্যবস্থা নিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুকে ফোন করলে, এ প্রতিবেদককে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। শনিবার বিকাল ৪ টা ৫৭ মিনিটে প্রতিমন্ত্রীর মাত্র ৪৬ সেকেন্ড কথা হয় এ প্রতিবেদকের। 

এরপর মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিনের সাথে কয়েকধাপে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তিনি ভোরের পাতাকে বলেন, প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন। মন্ত্রণালয় তার নিজস্ব গতিতে কাজ করছে। প্রকৌশলীদের চাওয়া পাওয়ার বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ মহল বসে সিদ্ধান্ত নিবেন। এছাড়া কারো বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলার যেসব অভিযোগ রয়েছে, সেগুলো নিয়ে অভিযুক্তদের সাথে কথা বলার পরামর্শও দেন মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন। 

উল্লেখ্য, খোরশেদুল আলম ও মাসুদুল আলম গংরা সিএমসি এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রায় ১৫০০০০,০০,০০,০০০ (দেড় লাখ কোটি) টাকা পায়রা ও নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানিতে বিভিন্নভাবে খচর করে প্রায় ৪০০০০,০০,০০,০০০ (চল্লিশ হাজার কোটি) টাকা বিভিন্নভাবে বিদেশে পাচার করেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। গত মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট ( প্রকৃতপক্ষে ১২৪৪ মেগাওয়াট) উদ্বোধন করেন, উদ্বোধনের খরচ দেখানো হয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকা, যা প্রকৃত ব্যয় থেকে কয়েকগুন বেশি, খোরশেদুল আলম-মাসুদ গং বা প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানকেও দুর্নীতির হাত থেকে বাঁচতে দেয়নি বলেও সংযুক্তিতে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, মাসুদুল ইসলাম বিসিপিসিএল’র প্রধান ফিন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অপর দিকে খোরশেদুল আলমের ছেলে ড্যানী অস্ট্রেলিয়াতে সমাজ্য গড়ে তুলেছে। দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটের ও অর্থ সংকটের পিছনে রয়েছে খোরশেদুল আলম মাসুদুল ইসলাম ও তাদের সিণ্ডিকেট। দেশ ও জাতিকে রক্ষার্থে অচিরেই খোরশেদুল-মাসুদ গংদের দুর্নীতি তদন্তপূর্বক তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২০ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয় করার নির্দেশনা প্রদান করেছে কিন্তু সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোম্পানি বোর্ড থেকে অনুমোদন না নিয়ে প্রকৌঃ এ এম খোরশেদুল আলম নিজের গাড়িসহ কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলীদের গাড়ির জ্বালানির খরচের সীমা পূর্বের তুলনায় ২০ শতাংশ হ্রাস না করে বরং পূর্বের চেয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি করে অফিস অর্ডার জারি করেছেন গত ৩ আগস্ট। এভাবে সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখানোর দুঃসাহস দেখিয়েছেন  খোরশেদুল আলম। এমন অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে ভোরের পাতা। 

নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেডের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র ভোরের পাতাকে জানিয়েছে, একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসাবে খোরশেদুল আলম কোম্পানির চারটি গাড়ি ব্যবহার করছেন। তারমধ্যে প্রায় সাত কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল অডি (Audi) গাড়িও রয়েছে। বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার (প্রাঃ) কোম্পানী লিমিটেড (বিসিপিসিএল) বোর্ড মিটিংয়ের সম্মানী ৫০০ ডলার অর্থাৎ ৫০,০০০ টাকার বেশি। এছাড়া বোর্ড মিটিং ইন্দোনেশিয়া, তুরুস্ক, দুবাই ও সিঙ্গাপুর আয়োজন করা হয়। ২১ জুলাই সিঙ্গাপুর গিয়ে অনলাইনে বোর্ড মিটিং করেছেন তিনি। অনলাইনের মিটিং সিংগাপুরে করার মতো বিলাসী কর্মকান্ড এমন সময়েও অব্যহত রেখেছে খোরেশেদুল আলম। নিজের রান্না করার জন্য অফিসের বাবুর্চি নিজের সাথে করে বিদেশ নিয়ে যাওয়ার মতো বিলাসিতা খোরশেদুল আলম করেছেন বলে জানা গেছে।

এসব অভিযোগের বিরুদ্ধে নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোরশেদুল আলমকে ফোন করা হলে ভোরের পাতাকে বলেন, এ ধরণের কোনো অভিযোগের ভিত্তিই নেই। একটি মহল নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। কোম্পানির নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের সার্কুলারটিই গত সপ্তাহে মন্ত্রণালয় থেকে বাতিল করা হয়েছে। এক্ষেত্রে নতুন করে আবারো সার্কুলার দেয়া হবে। যদিও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন বলেছেন, মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। এ প্রতিবেদকের সাথে ৭ মিনিট ৫ সেকেন্ড কথোপকথনের সময় বলেন, নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেডের পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্ধারিত সময়ের ৩৭ মাসের মধ্যেই শেষ করেছে এবং সরকারের ১৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাশ্রয় করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে আমাদের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেছেন। এরপরও যারা এসব নিয়ে মিথ্যাচার করছে তাদের সম্পর্কে আমার কিছু বলার নেই। তবে এ প্রতিবেদককে তিনি বারবার অফিসে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলার অনুরোধও করেন। এক পর্যায়ে নিউজটি না করারও অনুরোধ করেন। 

এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ভোরের পাতাকে বলেন, নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে এর আগেও অভিযোগ এসেছে। তবে নন টেকনিকেল লোকজনকে এ পদে আনার পায়তাঁরা তিনি করে থাকলে সেটি নিন্দনীয়। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে যে বা যারা লিখিতভাবে অর্থপাচারের অভিযোগ দিয়েছেন, সেগুলোও মন্ত্রণালয় খতিয়ে দেখুক। কারণ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ খাত বিদ্যুৎখাতকে ধ্বংস করার নানামূখী পাঁয়তারাও করেছে বিএনপি-জামায়াতপন্থী কর্মকর্তারা। তাদেরও বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেডের পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাফল্য আমাদের জন্য জাতিকে অবশ্যই সাফল্যমণ্ডিত করেছে।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]