প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৮ পিএম (ভিজিট : ৭৪)

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নকে ছানিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ও বাস্তবায়নে পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), শিশু নিলয় ফাউন্ডেশন, আদ-দ্বীন ওয়েলফেয়ার সেন্টার ও যশোর আদ্-দ্বীন চক্ষু হাসপাতাল ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের যৌথ আয়োজনে সোমবার (২১ জুলাই ) পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাফফাত আরা সাঈদ।
পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুর রশিদ, অরবিস ইন্টারন্যাশনালের অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর মো. ইকবাল হুসাইন।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,শিশু নিলয় ফাউন্ডেশনের পরিচালক (প্রোগ্রাম) রোজিনা আক্তার, আদ্-দ্বীন চক্ষু হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার মো.রবিউল হক,অরবিস ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. আলমগীর হোসেন এবং শিশু নিলয় ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম অফিসার মো. মোয়াজ্জেম হোসেন।
সভায় বক্তারা বলেন,ছানি বাংলাদেশের প্রতিরোধযোগ্য ও অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। সময়মতো রোগী শনাক্তকরণ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ছানিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইউনিয়নভিত্তিক জরিপ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, রোগী শনাক্তকরণ এবং সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাফফাত আরা সাঈদ বলেন, মানুষের দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ছানিমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের এই উদ্যোগ সফল হলে সাধারণ মানুষ সহজেই চোখের চিকিৎসাসেবা পাবে এবং অন্ধত্বের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের সকল দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সকল ওয়ার্ড সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে ছানিমুক্ত পানিসারা ইউনিয়ন বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন ও মতবিনিময় করা হয়।উল্লেখ্য অত্র ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে ২৪হাজার। এরমধ্যে এক শতাংশ হারে চোখের সমস্যা জনিত ছানিসহ রোগীর সংখ্যা ১৫৮জন।