শুক্রবার ১০ জুলাই ২০২৬ ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩

শিরোনাম: ঝুঁকি নিয়েই ডিসেম্বরে দেশে ফিরছেন শেখ হাসিনা, শীর্ষ নেতাদের নিয়ে করবেন আত্মসমর্পণ   ইরানের হামলার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিন, সমর্থন জানাল জর্ডান-কুয়েত-বাহরাইনকে   পেনাল্টি মিসের ব্যাখ্যা দিলেন এমবাপে, দুষলেন রেফারিকে   যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্কে চাপে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত, সতর্ক করল এডিবি   সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীর বৈঠক   দেশজুড়ে বজ্রসহ ভারী বর্ষণের আভাস   ভিএআর কীভাবে কাজ করে, কেন এত বিতর্ক?    
মাশহাদে দাফন সম্পন্ন, চিরনিদ্রায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ১১:২২ এএম   (ভিজিট : ৫৭)

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শেষে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তার জন্মভূমি ও শিয়া সম্প্রদায়ের অন্যতম পবিত্র নগরী মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। এর আগে ইরাক থেকে উড়োজাহাজে করে তার মরদেহ মাশহাদে আনা হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, দুপুরের পর থেকেই মাশহাদ শহরের সব প্রধান সড়ক ও গলিপথ সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে ভরে ওঠে। একটি সুসজ্জিত ট্রাকে করে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার কফিনটি ভিড়ে ঠাসা রাস্তা দিয়ে ধীরগতিতে পবিত্র ইমাম রেজা মাজারে নিয়ে যাওয়া হয়।

আজ তীব্র তাপদাহ উপেক্ষা করে প্রতিশোধের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে মাশদাহের আকাশ-বাতাস। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন সম্পন্ন করতে তার জন্মভূমি মাশহাদ শহরে সমবেত হন লাখ লাখ মানুষ।

রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লাখো শোকার্ত মানুষের চোখে-মুখে ছিল গভীর শোকের ছায়া। কালো পোশাকে আবৃত এই বিশাল শোকমিছিলে উপস্থিত জনতা ইরানের জাতীয় পতাকা, প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির ছবি এবং নানা স্লোগানসংবলিত লাল রঙের প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শন করছিলেন।

শিয়া ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী, এই লাল প্ল্যাকার্ড ও পতাকাগুলো মূলত খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার হিসেবে বহন করা হচ্ছিল।

খামেনির শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী ইমাম রেজা মাজার চত্বরে তার জানাজা ও দাফনের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসনের প্রথম দিন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। এরপর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে দেশটির পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করা হয়। একই হামলায় তিনিও গুরুতর আহত হয়েছিলেন। এর পর থেকে তাকে এ পর্যন্ত জনসমক্ষে দেখা যায়নি। এমনকি তার বাবা ও স্ত্রীর জানাজায়ও তিনি উপস্থিত হননি।

এদিকে খামেনির দাফনের এই ঐতিহাসিক দিনেও পারস্য উপসাগর ও ইরানের উপকূলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

বুধবার (৮ জুলাই) রাতে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে ইরানের সামরিক অবকাঠামো, উপকূলীয় প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র অবস্থান এবং সামরিক লজিস্টিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, মার্কিন বাহিনী গোলেস্তান প্রদেশের আককালা শহরের বাইরে অবস্থিত আক তেকেহ খান সেতুতে সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। হামলায় সেতুর আশপাশের একটি রেলপথে অন্তত দুটি বিস্ফোরণ ঘটে। তবে হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

মার্কিন বিমান হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হামলার তথ্য নিশ্চিত করে।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]