প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪:২৩ পিএম (ভিজিট : ৫০)

বিদেশের বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ইরানের বিপুল অর্থ এখন তেহরানের কূটনৈতিক অগ্রাধিকারে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে চীন, ইরাক, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারতের ব্যাংকসহ নানা জায়গায় ইরানের ১০ হাজার কোটি ডলারেরও বেশি সম্পদ আটকে আছে বলে দাবি করেছে তেহরান।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অর্থের বড় অংশই তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ রফতানির আয়। তবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে সেই অর্থ সরাসরি দেশে আনতে পারছে না ইরান।
সবচেয়ে বেশি অর্থ আটকে আছে চীনে যার পরিমাণ ২০ থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া ইরাকে রয়েছে প্রায় ১০ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলার। ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া-তে আটকে আছে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার করে।
২০২৩ সালে বন্দিবিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ায় আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার কাতারে স্থানান্তর করা হয়েছিল, যদিও তা মানবিক খাতে ব্যবহারের শর্তে সীমাবদ্ধ রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় অন্তত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চাওয়া হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অর্থ ফেরত পেলে ইরানের দুর্বল মুদ্রা স্থিতিশীল হবে, আমদানি বাড়বে এবং অর্থনীতিতে নতুন গতি আসতে পারে। তাই এই জব্দ তহবিল এখন তেহরান-ওয়াশিংটন আলোচনার অন্যতম বড় দর-কষাকষির অস্ত্র।