শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬ ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

শিরোনাম: বন্যার আশঙ্কায় ৯ জেলায় আগাম সতর্কতা জারি   বেক্সিমকোর ঋণ জালিয়াতি: জনতা ব্যাংকের ১০ কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ   বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের দাম আকাশছোঁয়া, সর্বনিম্নই ৮ হাজার ডলারের কাছাকাছি   সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করল ঢাকা উত্তর সিটি   জান্নাতের ১০ মহা নেয়ামত, যা মুমিনকে অভিভূত করবে   ফুটবলের সঙ্গে মানবিকতার জয়, ফিলিস্তিনিদের পাশে নরওয়ে   নতুন নৌবাহিনী প্রধান হলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম   
জুলাই বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় সন্ধিক্ষণ: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৫ পিএম   (ভিজিট : ৫৭)

ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, শোক ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দেশে সর্বক্ষেত্রে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি। 

গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) রাত ৮টা ৩ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

পোস্টে তিনি বলেন, ১৬ জুলাই বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় সন্ধিক্ষণ। ২০২৪ সালের এই দিনে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ এবং চট্টগ্রামে কলেজশিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ অন্তত ছয়জন শহীদ হন।

তারেক রহমান বলেন, রংপুরে দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দাঁড়িয়ে থাকা আবু সাঈদের দৃশ্য গণতন্ত্রকামী মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করেছিল। কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন পরবর্তীতে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। সেই ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়। 

তিনি শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ ১৬ জুলাইয়ের সব শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, প্রাণঘাতী শক্তির নির্মম ব্যবহার এবং ভয়ভীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার সাহসী প্রতিরোধ জাতির বিবেককে জাগ্রত করেছিল। বিশেষ করে আবু সাঈদের প্রতিবাদের সেই দৃশ্য একটি গণতান্ত্রিক অধিকারবঞ্চিত জাতির ভয় জয়ের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান শুধু একটি আন্দোলন ছিল না; এটি ছিল দীর্ঘ দেড় দশক ধরে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ফ্যাসিবাদ, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, লুণ্ঠন, গুম, খুন, দমন-পীড়ন এবং ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জাতির ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ। 

তারেক রহমান বলেন, ঐতিহাসিক সেই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পর বর্তমান সরকার শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। শহীদদের রক্ত কখনো বৃথা যেতে পারে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা কেবল ইতিহাসের গৌরব নয়, বরং ভবিষ্যৎ নির্মাণেরও প্রেরণা। তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের পথ ধরেই দেশ গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ, মানবিক, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমেই শহীদদের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানানো সম্ভব।

পোস্টের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]