শনিবার ৬ জুন ২০২৬ ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শিরোনাম: শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হলে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   বিসিবিতে প্রবেশের আগে ব্যক্তিগত পরিচয় বাইরে রাখুন: তামিম   অস্ট্রেলিয়া সিরিজ উপলক্ষে মিরপুরে সড়ক ব্যবহারে ডিএমপির নির্দেশনা   সরকারদলীয় এমপিদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী   হরমুজ প্রণালি বন্ধের ইঙ্গিত, নতুন উত্তেজনা ছড়াল ইরান   ১৭ মাসে ৪ হাজার ৫০০-এর বেশি ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র   হামে ও উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৩২   
দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি রামিসার বাবার
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৪:১৩ পিএম   (ভিজিট : ৫৭)

আমি আমার বাচ্চাকে হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই। বাংলাদেশের আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করি। সেই শাস্তি যেন দ্রুত কার্যকর হতে দেখি। একজন বাবা হিসেবে এটাই আমার একমাত্র চাওয়া।

শনিবার (৬ জুন) রাজধানীতে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন বৃদ্ধি ও করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এ দাবি জানান রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

তিনি বলেন, ‘এত হতাশার মধ্যেও বিচার প্রক্রিয়ায় আমি একটি আশার আলো দেখতে পেয়েছি।

বাংলাদেশ সরকার দ্রুত বিচার শেষ করার যে আশ্বাস দিয়েছিল, তার প্রতিফলন আমি দেখতে পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, আশা করি আগামীকালের রায় বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
একজন বাবা হিসেবে আমি সর্বোচ্চ রায় প্রত্যাশা করছি।’

অনুষ্ঠানে আব্দুল হান্নান আরও বলেন, ‘এক ফ্ল্যাটের এক দরজা থেকে আরেক দরজার দূরত্ব তিন ফুট। এই তিন ফুটের মধ্যেও যদি আমরা একটি শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে শুধু সরকারকে দায়ী করলে হবে না। পরিবার, প্রতিবেশী ও সমাজের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে হবে। তা না হলে আরও হাজার হাজার রামিসা এমন নৃশংসতার শিকার হতে পারে।’

তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘আজ আমি একজন ধর্ষিতার বাবা হিসেবে পরিচিত। এই দায়ভার কে নেবে আমি, সমাজ নাকি রাষ্ট্র? আমার সন্তানের এমন পরিণতির জন্য দায়ী কে?’

তিনি বলেন, আলোচনা ও গোলটেবিল বৈঠক অনেক হয়, কিন্তু বাস্তবে সমস্যার সমাধান কতটা হয়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো শিশুকে এমন ভয়াবহ নির্যাতন ও হত্যার শিকার হতে না হয়, সে জন্য কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি জানান, ঘটনার পর তার স্ত্রী গভীর মানসিক ট্রমার মধ্যে রয়েছেন এবং তাকে সার্বক্ষণিক দেখাশোনা করতে হচ্ছে। পরিবারের আরেক সন্তানকে নিয়েও তিনি আতঙ্ক ও শঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

বক্তব্যের শেষে তিনি বিচারক, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

উল্লেখ্য, নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল আয়োজিত এ গোলটেবিল বৈঠকে আইনজীবী, চিকিৎসক, শিক্ষক, সাংবাদিক, সমাজকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনায় বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কার্যকর আইন প্রয়োগ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।












  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]