ঝিনাইদহ জেলার কৃতি সন্তান মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা এবং ছাত্রদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক আইন সম্পাদক, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়াও তিনি যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১৭ বছর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সম্মুখসারির একজন কর্মী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে রাজপথে থেকে বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তিনি কখনো মনোবল হারাননি। বিএনপির চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনা বাস্তবায়নে তিনি ধারাবাহিকভাবে সক্রিয় থেকেছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রতি তার রয়েছে অগাধ আস্থা, অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ। নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কামরুজ্জামান একজন কর্মীবান্ধব ও আদর্শিক নেতা, যিনি রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে অসংখ্য রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তার নতুন দায়িত্ব সংগঠনকে আরও গতিশীল করবে এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারা শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা বলেন, গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে মোহাম্মদ কামরুজ্জামান সবসময়ই নিবেদিতপ্রাণ একজন যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।