সোমবার ১৫ জুন ২০২৬ ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শিরোনাম: রিজার্ভ বেড়ে সাড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল   আইন মন্ত্রণালয় বিষয়ক স্থায়ী কমিটি গঠন, সভাপতি আন্দালিব রহমান পার্থ   ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক   দুদকের মামলায় বেরোবির সাবেক উপাচার্য কলিমুল্লাহর জামিন   এআই প্রযুক্তিতে শনাক্তের পর দুবাইয়ে আটক বেনজীর   ১৯৭ কিলোমিটার গাড়ি চালিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ   উপসালা টাইগার্সের জার্সিতে কাল অভিষেক সাকিবের   
দেশের প্রথম বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে
দিনাজপুর (ফুলবাড়ী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩২ পিএম   (ভিজিট : ৩৭২)

পার্বতীপুরে অবস্থিত দেশের একমাত্র প্রথম উৎপাদিত লাভজনক কয়লা খনি বড় পুকুরিয়া। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে এবং অব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত মজুত ও লোকসানের অজুহাতে এটি ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।খনি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন এবং সংশ্লিষ্টরা খনিটি রক্ষায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণেরো দাবি জানিয়েছেন।

 অতিরিক্ত কয়লা দীর্ঘ সময় ধরে ইয়ার্ডে পড়ে থাকায় কয়লার স্তূপে প্রায়শই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে,যা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।

এছাড়াও অতিরিক্ত কয়লার চাপে খনির বাউন্ডারি ওয়াল ইতোমধ্যে ভেঙ্গে পড়েছ। অন্যান্য অংশে ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে এবং বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজার ও দেশীয় চাহিদার তুলনায় অনেক কম মূল্যে পিডিবিকে (বিদ্যুৎকেন্দ্র)কয়লা সরবরাহ করায় খনিটি বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় জোনের কয়লা আগামী এক বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।নতুন জোনে(উত্তর জোন)খনি উন্নয়নের জন্য জমি অধিগ্রহণে প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে কয়লা উত্তোলন নতুন করে অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

শুধু তাই নয়,বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩টি ইউনিটের মধ্যে ২টি ইউনিট দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় উৎপাদিত কয়লার বড় একটি অংশ ব্যবহার না হয়ে ইয়ার্ডে জমে থাকছে।ফলে দ্রুত এ পরিস্থিতির উত্তরন না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে। 

এদিকে খনির শ্রমিক ইউনিয়ন ও এলাকাবাসী দাবি করেছেন,খনির শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন খনিটি রক্ষায় খোলাবাজারে কয়লা বিক্রির অনুমতি,পিডিবিকে দেয়ার কয়লার মূল্য বৃদ্ধি এবং নতুন এলাকা থেকে কয়লা উত্তোলনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণসহ ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেছে। শ্রমিকদের আশঙ্কা,এভাবে লোকসান দেখিয়ে খনিটি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে দেশের এই প্রথম কয়লা খনিটি।যার ফলে প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার পরিবার জীবিকা হারিয়ে সংকটে পড়বে।

এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিঃএর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভোরের পাতাকে জানান, আমাদের উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। কোল ইয়ার্ডে জায়গা সংকটের কারণে খনি গর্ভ থেকে উত্তোলিত কয়লা রাখতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি।

অপরদিকে বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাঁর কোন মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।









  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]