প্রকাশ: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫০ পিএম (ভিজিট : ১৫৭)

বাগেরহাটের চিতলমারীতে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তার কথিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ ও বাড়ছে উদ্বেগ
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর রাজনৈতিক পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে চিতলমারীর বিএনপি নেতা মো. আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও অপকর্মে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ ওঠে। এতে এলাকায় চাঁদাবাজি, জুয়ার আসর বসিয়ে অর্থ আদায়, জালিয়াতি এবং সম্পত্তি দখলের মতো অভিযোগও যুক্ত হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এক ধরনের ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছেন, যার ফলে সাধারণ মানুষ প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পান না।
এছাড়া চিতলমারী শেরেবাংলা ডিগ্রি কলেজে বিদ্যুৎসাহী সদস্য হওয়ার জন্য তিনি স্নাতক পাশের একটি ভুয়া সনদ জমা দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর সেই সনদটি জাল বলে প্রমাণিত হয়।
আরও অভিযোগে বলা হয়, তিনি প্রায় ৩ শতক জমির মালিক হলেও ৭ একর ৪ শতক জমির ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে নামপত্তন করার চেষ্টা করেন, যা পরবর্তীতে ধরা পড়ে যায়।
এ সব ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে চিতলমারী উপজেলা বিএনপি নেতা মো. আহসান হাবিব ঠান্ডা মুঠো বলেন, এ্যাড.লাভলু নামের এক ব্যাক্তি ফেক আইডি দিয়ে আমার নামে ছাড়ে। আমি রাজনীতি করি আমার প্রতিপক্ষরা আমার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার করে যাচ্ছে যাতে আমি পদ-পদবী না পাই। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমুলক।