প্রকাশ: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:১১ AM

মার্কিনীদের চাপের মুখে পাল্টা শক্তি প্রদর্শনে নামল ইরান। হরমুজ প্রণালীতে আজ রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) থেকে নৌযুদ্ধের মহড়া শুরু করেছে দেশটির নৌবাহিনী। তেহরানের এই পদক্ষেপে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।
এর আগে ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগর থেকে পশ্চিম এশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। নিমিৎজ শ্রেণির এই রণতরীর সঙ্গে ছিল তিনটি আর্লে বার্ক শ্রেণির ডেস্ট্রয়ার। গত সপ্তাহে এসব যুদ্ধজাহাজ ইরান উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান নেয়।
এই প্রেক্ষাপটে গতকাল শনিবার রাতে ইরান ঘোষণা দেয়, রোববার ও সোমবার হরমুজ প্রণালীতে ‘লাইভ ফায়ার ড্রিল’ বা সরাসরি গোলাবর্ষণ মহড়া চালানো হবে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংকীর্ণ জলপথ। এখান দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল পরিবহন হয়। ফলে সামান্য অস্থিরতাও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন ব্যবস্থায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই কৌশলগত অবস্থানকে কাজে লাগিয়েই যুক্তরাষ্ট্রকে চাপের মুখে ফেলতে চাইছে তেহরান।
এদিকে, ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিও ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। কিছুদিন আগে দেশটিতে শুরু হওয়া গণবিক্ষোভে প্রায় ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে। কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থার অভিযোগ, প্রায় ১৫ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে হত্যা করা হয়েছে।