বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫ মাঘ ১৪৩২

শিরোনাম: ২২ বছর পর আজ রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান   রাজধানীতে বাস চাপায় ব্যাংক কর্মচারীর মৃত্যু    হোয়াটসঅ্যাপ-ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম চালাতে গুণতে হবে টাকা    হিলিতে চালের দাম কমেছে কেজিতে ৮ টাকা   ৮ জেলার শীত নিয়ে বড় দুঃসংবাদ    রাবির বি ইউনিটের ফল প্রকাশ   পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থানে বেড়েছে লেনদেন    
বাংলাদেশ দলে সব সিদ্ধান্ত কি সালাউদ্দিন নেন? জানালেন মিরাজ
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫, ৮:০৬ পিএম

জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচের দায়িত্ব পালন করছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। এ ছাড়া ফিল সিমন্স আছেন প্রধান কোচের ভূমিকায়। তবে নানা সময়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে ভূমিকা থাকে বলে অনেকেরই ধারণা সালাউদ্দিনই দল চালাচ্ছেন। তিনিই সব সিদ্ধান্ত নেন কি না সেই প্রশ্ন করা হয় বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের কাছে। তিনি জানালেন, সবাই মিলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে গতকাল (বৃহস্পতিবার) ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনে মিরাজ বলেন, ‘অবশ্যই হেড কোচ শুরুতে সিদ্ধান্ত নেয়। এটা সবার ধারণা– মনে হয় ক্যাপ্টেন ও কোচ সালাউদ্দিন স্যার (সব সিদ্ধান্ত) নিচ্ছে, আসলে এমন না। সিদ্ধান্ত নিতে গেলে সবাই একসঙ্গে মিলেই সিদ্ধান্ত নিই। ফিল সিমন্স কথা বলেন, পরামর্শ করেন, সালাউদ্দিন স্যার এবং আমার সঙ্গেও কথা বলেন।’

‘প্রধান কোচের সঙ্গে আমরা অনেক সময় এগ্রি-ডিসএগ্রি করি। তখন উনি সবার কথা শোনেন। আমি একটা কথা বললাম, সালাউদ্দিন স্যারও বললেন। এভাবে আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত হয়। এমন না যে আমি একাই সিদ্ধান্ত নিচ্ছি বা সেটাই হবে। সবাই মিলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, কেউ একা নিচ্ছে না’, আরও যোগ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

বাংলাদেশ দলে সব সিদ্ধান্ত কি সালাউদ্দিন নেন? জানালেন মিরাজ 

স্কোয়াডে ক্রিকেটার বাছাই নিয়ে মিরাজ জানান, ‘আপনি হয়তো দেখছেন ১৫ জনের স্কোয়াড। আসলে ওয়ানডেতে ২৫ জনের স্কোয়াড আছে। ২৫-২৭ জন আছে, যাদের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলানো হচ্ছে। সৌম্য আগের ২ সিরিজে ছিল না। এবার খেলেছে। ২৫-২৭ জন যারা আছে তাদের এভাবেই খেলানো হচ্ছে। আমরা বিশ্বকাপের আগে এভাবে খেলাতে চাই, যেন বোঝা যায় কোন পজিশনে কে ভালো করছে। দিনশেষে পারফরম্যান্সটা তো খুবই জরুরি।’

মিরপুরের উইকেট আগের মতোই আছে উল্লেখ করে মিরাজ বলেছেন, ‘আমরা তো সবসময়ই জানি মিরপুরের উইকেটটা কেমন হবে। এটা তো আমাদের কাছে নতুন কিছু না। আমি ৯ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছি। অভিষেকেও এখানেই খেলেছি। পার্থক্য সেরকম কিছু না। আগে একটু ঘাস দিত, এখন ঘাস নেই, জিনিসটা এটাই। ঘাস থাকলে বল অনেক সময় স্কিড করে। এ ছাড়া আর পার্থক্য মনে হয় নাই।’

বিশ্বের সব দলই হোম এডভান্টেজ নেয় বলেও পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেন এই তারকা অলরাউন্ডার, ‘পৃথিবীর যেখানেই খেলতে যান, তারা কিন্তু হোম এডভান্টেজটা নেয়। আমরা নিউজিল্যান্ডে খেলেছি, সেখানে হোম এডভান্টেজ দেখেছি। কোনো দল বাংলাদেশে আসলে আমরা হোম এডভান্টেজ নেব। হয়তো বিশ্বকাপে ভালো করিনি (২০২১ সালে), সেটা আলাদা প্ল্যানিং। ৩ মাস আগে থেকে আলাদাভাবে প্ল্যান করা উচিত। দ্বিপাক্ষিক সিরিজে আমার মনে হয় হোম এডভান্টেজ অনেক জরুরি। অবশ্যই ৩ ম্যাচ জিতলে ভালো জায়গায় থাকতাম। শেষ ম্যাচটায় (দ্বিতীয় ম্যাচ) অনেক এক্সাইটমেন্ট ছিল।’ 



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: vorerpata24@gmail.com বার্তা ইমেইল:news@dailyvorerpata.com বিজ্ঞাপন ইমেইল:vpgmad@gmail.com