শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬ মাঘ ১৪৩২

শিরোনাম: এসিআই মোটরসে বড় নিয়োগ   সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ   ক্ষমতায় গেলে ইসলামী আইন চালুর প্রশ্নে যা বললেন জামায়াত আমির   গণভোটে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট প্রচার দণ্ডনীয় অপরাধ: ইসি   নওগাঁয় জনসভার মঞ্চে তারেক রহমান    ফখরুলের গলায় টাকার মালা!   চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি বৈধ: হাইকোর্ট   
রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে; বাংলাদেশে কবে?
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৫০ AM

পবিত্র রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। মধ্যপ্রাচ্যে আগামী ৩১ জানুয়ারি শাবান মাস শুরু হতে পারে। এছাড়া আগামী ১ মার্চ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে রমজান মাস শুরু হতে পারে। সেই হিসেবে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে আগামী ২ মার্চ থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে জানিয়েছে, তাদের জ্যোতির্বিদ্যা হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী ৩১ জানুয়ারি শাবানের প্রথম দিন হবে।

আমিরাত জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র শাবান মাস শুরু হওয়ার ব্যাপারে বলেছে, ২৯ জানুয়ারি হিজরি সনের রজব মাসের ২৯তম দিন। কিন্তু এদিন সূর্যাস্তের সময় বা আগে চাঁদ অস্ত যাবে। ফলে এ দিন ইসলামিক বিশ্বে শাবানের চাঁদ দেখা অসম্ভব হবে। এতে, এসব দেশে রজব মাসটি ৩০দিন পূর্ণ করবে এবং ৩১ জানুয়ারি হবে শাবানের প্রথম দিন।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, আগামী ৩০ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সব মুসলিম দেশ, দক্ষিণ ইউরোপ, আফ্রিকা এবং যুক্তরাষ্ট্রে খালি চোখে চাঁদ দেখা যাবে। যার অর্থ হলো যেসব দেশে বৃহস্পতিবার ২৯ রজব হবে সেসব দেশেও ৩১ জানুয়ারি শাবান শুরু হবে। যার মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ইরান, বাংলাদেশ, মরক্কো, ক্যামেরুন ও আলবেনিয়া। তবে রমজান শুরুর বিষয়টি চাঁদ দেখা যাওয়ার ওপর নির্ভর করছে।

রসুলুল্লাহ (সা.) শাবান মাসের ২৯ তারিখ সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদের অনুসন্ধান করতেন। এমনকি সাহাবিদের চাঁদ দেখতে বলতেন। রমজানের নতুন চাঁদ দেখলে প্রিয় নবী (সা.) কল্যাণ ও বরকতের দোয়া করতেন।

শাবান মাস শেষে আমাদের সামনে চলে আসবে রমজান মাস। রমজানের নতুন চাঁদ দেখলে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কল্যাণ ও বরকতের দোয়া পড়তেন।

একজন মুমিনের জন্য পবিত্র রমজান মাসের প্রস্তুতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) রমজানের আগের দুই মাসজুড়ে তথা রজব ও শাবানে বেশি বেশি নফল ইবাদত ও রোজা রাখার অভ্যাস করতেন।

রজবের শুরু থেকেই রাসুল (সা.) একে একে সব ব্যস্ততা কমিয়ে এনে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল হতেন এবং প্রিয় মাস রমজানের জন্য প্রহর গুনতেন। 

হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, পশ্চিম আকাশে রজবের চাঁদ দেখা গেলেই প্রিয় নবী আবেগময় কণ্ঠে মহান রবের দরবারে দোয়া করতেন- 'আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রাজাবা ওয়া শাবান ওয়া বাল্লিগনা রামাদান।' অর্থ – 'হে আল্লাহ আমাদের জন্য রজব ও শাবান মাসকে বরকতময় করে দিন। আর আমাদের হায়াত রমজান মাস পর্যন্ত পৌঁছে দিন।' (সুনানে নাসায়ি ও মুসনাদে আহমাদ)



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: vorerpata24@gmail.com বার্তা ইমেইল:news@dailyvorerpata.com বিজ্ঞাপন ইমেইল:vpgmad@gmail.com