টেন্ডারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তি কেন গাছ কাটছেন—এ বিষয়ে আক্কাস আলী দাবি করেন, তিনি মেসার্স আর কে এন্টারপ্রাইজের ব্যবসায়িক পার্টনার। তবে এ বিষয়ে কোনো লিখিত চুক্তি বা অনুমতিপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এসব কোনো কাগজ নাই। আমরা একে অপরের এলাকায় টেন্ডার ধরি।’
এদিকে সামাজিক বনায়নের সদস্যরা অভিযোগ করেন, তাদের সমিতির গাছ টেন্ডারে বিক্রি করা হলেও বিষয়টি তাদের জানানো হয়নি। সামাজিক বনায়নের সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের সমিতির গাছ টেন্ডার হচ্ছে, অথচ আমরা কিছুই জানি না। এর আগে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের সময় গাছের ডালপালা বিক্রি করে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পাওয়া গেলেও সেই টাকার কোনো হদিস আজও নেই।’
অভিযোগের বিষয়ে কোটচাঁদপুর উপজেলা বনবিভাগের কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, টেন্ডার বিধি অনুযায়ীই গাছ কর্তন করা হচ্ছে। টেন্ডারপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ গাছ কাটছেন—এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কুষ্টিয়ার টিম্বার ব্যবসায়ী আর কে এন্টারপ্রাইজ টেন্ডার পেয়েছে এবং তাদের পার্টনার হিসেবেই গাছগুলো কর্তন করা হচ্ছে।
তবে সামাজিক বনায়নের সদস্যদের দাবি, সরকারি দপ্তর তাদের না জানিয়ে গাছ বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ করেছে এবং এখন পর্যন্ত গাছ বিক্রির টাকা সদস্যদের মধ্যে বিতরণ করা হয়নি। তারা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।