বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫ মাঘ ১৪৩২

শিরোনাম: ২২ বছর পর আজ রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান   রাজধানীতে বাস চাপায় ব্যাংক কর্মচারীর মৃত্যু    হোয়াটসঅ্যাপ-ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম চালাতে গুণতে হবে টাকা    হিলিতে চালের দাম কমেছে কেজিতে ৮ টাকা   ৮ জেলার শীত নিয়ে বড় দুঃসংবাদ    রাবির বি ইউনিটের ফল প্রকাশ   পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থানে বেড়েছে লেনদেন    
ঝিকরগাছায় নিম্ন আয়ের শীতার্ত মানুষের দুর্ভোগ-দুর্দশা চরমে
মানবিক সহায়তায় বিপন্ন মানুষের পাশে নেই বিত্তবান-এনজিও গুলো!
ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২২ পিএম

সারা দেশের মতো যশোরের ঝিকরগাছায় গেল তিন দিনে সূর্যের দেখা নেই।  ঘন কুয়াশা। সেই সাথে হিমেল হাওয়া। চলমান শৈত্যপ্রবাহে হিমশীতল ঠান্ডায় আড়ষ্ঠ জনজীবন।
প্রাণীকুলেও একই অবস্থা। নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া দিনমজুর শ্রেণির শীতার্ত মানুষের দুর্ভোগ-দুর্দশা যেন চরমে উঠেছে। 

অভিযোগ রয়েছে, আর্তমানবতার সেবায় বিপন্ন মানুষগুলোর পাশে নেই  সমাজের বিত্তবান শ্রেণি কিংবা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এনজিওগুলো।  হাড়কনকনে শীতে যবুথবু অবস্থার মানুষগুলোর এই মুহূর্তের প্রত্যাশা এক টুকরো গরম কাপড়! 

খেটে খাওয়া দিনমজুর, ভ্যান-রিক্সা,ইজিবাইক থ্রি হুইলার চালকের নিত্যদিনের মতো ভাড়া নেই। যাত্রী সংখ্যা সর্বনিম্ন পর্যায়ে।  ক্ষেতমজুরদের কাদামাটির কাজে জমে যাওয়ার অবস্থা। 

ফুলক্ষেত,নার্সারিতে পরিচর্যাকারী ফুলচাষী কৃষক ভাইদের মাঠে টিকা দুষ্কর।গদখালীর ফুলের বাজারে ক্রেতা কম।  মাত্রাতিরিক্ত হিমেল হাওয়ায় ফুল পর্যটকদের উপস্থিতি অনেকাংশে কমে গেছে। 

ইটভাটায় কর্মরত নারী শ্রমিকদের অবস্থা বেহাল। মৎস্যজীবীদের অবস্থা অবর্ণনীয়। পানিতে নামা প্রায় অসম্ভব। চলতি ভরা মৌসুমে বোরো আবাদের বীজতলা তৈরি বন্ধ হওয়ার উপক্রম। ধান বীজের চারা 'কোল্ড ইনজুরিতে' আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে উদ্বিগ্ন কৃষক।  নির্মাণ শ্রমিকদের অবস্থা একই। এমনিতেই আগের মতো কাজ নেই। তারপরও অতি ঠাণ্ডায় ঘর থেকে বেরোনো দায়।  শিশু শ্রেণির কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও শীতে কষ্ট পাচ্ছে। 

হাটবাজারে ক্রেতাশূন্য অবস্থায় ক্ষুদ্র-মাঝারি ব্যবসায়ীদের বেচাকেনায় চরম মন্দাভাব। ক্রেতার অভাবে বেচাকেনায় ধস নেমেছে কাঁচা বাজারে। কনকনে ঠান্ডায় গ্রাম-গঞ্জের হকার ফেরিওয়ালারাও ঘর থেকে বের হতে পারছে না। 

রেলবস্তির খেটে খাওয়া কিংবা ছিন্নমূল পরিবারগুলোর অবস্থা শোচনীয়। শীতে রোগগ্রস্থ  বয়স্ক ব্যক্তিদের অবস্থা নাজুক।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রশাসক  মোছাম্মদ রনী খাতুন জানিয়েছেন, উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে ৫০টি করে কম্বল ইতিমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। সরকারি শিশু পরিবার (শিশু সদন), ১৪টি ছিন্নমূল পরিবারসহ রেলবস্তি ও তার আশপাশ এলাকার হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, প্রত্যাশার চেয়ে প্রাপ্তি কম। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি আরো মানুষকে কম্বল দেবার।  এই প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে এবং থাকবে বলে জানান তিনি। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সমাজের দানশীল  বিত্তবানদের মানবিক সহায়তায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। 



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: vorerpata24@gmail.com বার্তা ইমেইল:news@dailyvorerpata.com বিজ্ঞাপন ইমেইল:vpgmad@gmail.com