প্রকাশ: শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:০২ AM

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ফেনী-ছাগলনাইয়া সড়কের বিরিঞ্চি ব্রিকফিল্ড সংলগ্ন মাঠে বৃহৎ এ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে গতকাল ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ ইজতেমার কার্যক্রম।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির সমাগমের সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগত মুসল্লিদের জন্য রাণীরহাট এলাকায় এ মাঠজুড়ে শামিয়ানা টাঙানো, পানির লাইন ও বিদ্যুৎ সংযোগ, সাইকেল গ্যারেজসহ বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। বিশাল আয়তনের এ মাঠে দূর-দূরান্ত থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা শামিয়ানার নিচে অবস্থান নিয়েছেন।
চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলা ছাড়াও ভারত, মরক্কো, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মেহমানরা এতে অংশগ্রহণ করেন।
জেলার সর্ববৃহৎ এ জুমার নামাজে ইমামতি করেন তাবলিগ জামাতের কাকরাইল মসজিদের ইমাম মাওলানা আনাস বিন মোজাম্মেল। এদিন সকালে বয়ান করেন বাংলাদেশের তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদ অনুসারীদের আমির, তাবলিগ জামাতের আহলে শূরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম।
আশরাফুল ইসলাম নামে জুমার নামাজে অংশ নেওয়া এক মুসল্লি বলেন, ‘সচারাচর এত বড় জুমার জামাতে অংশ নেওয়ার সুযোগ হয়না। সেজন্যই ইজতেমায় হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে এ জুমার নামাজ পড়েছি। আল্লাহ কারো উছিলায় সবার দোয়া কবুল করবেন আশা করি।’
শাকিল নামে আরেক মুসল্লি বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর থেকে তিন দিনের এ ইজতেমায় এসেছি। তাবলিগের মুরব্বিরা দ্বীন ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে বয়ান করছেন। এখান থেকে অর্জিত জ্ঞানে যথাযথ ধর্মীয় চর্চা করার চেষ্টা করব।
মাওলানা নূর উদ্দিন নামে তাবলিগ জামাতের এক মুরুব্বি বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলা, বিভিন্ন দেশের মেহমান ছাড়াও শুক্রবার স্থানীয়ভাবে ইজতেমায় মুসল্লিদের ঢল নামে। বিশেষ করে বিশাল ময়দানে একত্রে জুমার নামাজ আদায়ে মুসল্লিরা একত্রিত হন। মাঠে পৌরসভার সহযোগিতায় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মুসল্লিদের সেবায় দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রয়েছে।’
আগামীকাল (শনিবার) বেলা ১১টার দিকে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ বিভাগীয় ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।