বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫ মাঘ ১৪৩২

শিরোনাম: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ   ক্ষমতায় গেলে ইসলামী আইন চালুর প্রশ্নে যা বললেন জামায়াত আমির   গণভোটে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট প্রচার দণ্ডনীয় অপরাধ: ইসি   নওগাঁয় জনসভার মঞ্চে তারেক রহমান    ফখরুলের গলায় টাকার মালা!   চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি বৈধ: হাইকোর্ট   ২২ বছর পর আজ রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান   
সাবেক আইজিপি শহীদুলের হাজার কোটি টাকার আলামত জব্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১:৫৪ পিএম

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হকের হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের দুই বস্তা আলামত জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গতকাল মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে শহীদুলের আত্মীয়র বাসা থেকে ওই আলামতগুলো উদ্ধার করা হয়েছে বলে দুদকের জনসংযোগ দপ্তর নিশ্চিত করেছে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, গতকাল মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক রাকিবুল হায়াতের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি টিম শহীদুল হকের এক আত্মীয়র বাসায় তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশিকালে দুটি বস্তায় মোট ৩৮ প্রকৃতির ৪৮টি আলামত পাওয়া যায়। যার মধ্যে রয়েছে বিপুল মূল্যমানের সম্পদের দলিল, বিভিন্ন গোপনীয় চুক্তিপত্র, ডিড অব অ্যাগ্রিমেন্ট, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, বন্ড, এফডিআর, সংঘ স্মারক, অফার লেটার, ব্যাংক হিসাব বিবরণী ইত্যাদি।

দুদক জানায়, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক অসাধু উপায়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন, এ অভিযোগে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অনুসন্ধান কার্যক্রমের এক পর্যায়ে দুদক গোয়েন্দা তথ্য পায় যে, শহীদুল হক তার অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য সম্বলিত নথিপত্র তার একজন নিকট আত্মীয়ের কাছে দুটি বস্তায় ভরে প্রেরণ করেছেন। 

গোয়েন্দা তথ্যে আরো জানা যায় যে, উক্ত নথিপত্র গোপন রাখার জন্য এক আত্মীয়র কাছ থেকে অপর এক আত্মীয়ের বাসায় প্রেরণ করেছেন। এসব নথিপত্রে শহীদুল হকের বেআইনিভাবে অর্জিত কোটি কোটি টাকার সম্পদের তথ্য রয়েছে।

এর আগে সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক ও তার স্ত্রী-সন্তান এবং তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন ফাউন্ডেশনের নামে ৭২টি ব্যাংক হিসাবে ৫৬০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পায় আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। যার প্রতিবেদন দুদকে পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে।

২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আইজিপির দায়িত্ব পালন করা শহীদুল হক, তার স্ত্রী শামসুন্নাহার রহমান এবং তাদের তিন সন্তানের নামে ৭২টি ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন মজিদ-জরিনা ফাউন্ডেশনের একাধিক হিসাবও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব হিসাবে ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৫৬০ কোটি ২৮ লাখ টাকা জমা হয়, যার মধ্যে ৫৫০ কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ স্থিতি ছিল ১০ কোটি ২০ লাখ টাকা। গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে শহীদুল হককে গ্রেপ্তার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: vorerpata24@gmail.com বার্তা ইমেইল:news@dailyvorerpata.com বিজ্ঞাপন ইমেইল:vpgmad@gmail.com