বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫ মাঘ ১৪৩২

শিরোনাম: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ   ক্ষমতায় গেলে ইসলামী আইন চালুর প্রশ্নে যা বললেন জামায়াত আমির   গণভোটে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট প্রচার দণ্ডনীয় অপরাধ: ইসি   নওগাঁয় জনসভার মঞ্চে তারেক রহমান    ফখরুলের গলায় টাকার মালা!   চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি বৈধ: হাইকোর্ট   ২২ বছর পর আজ রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান   
খুলনায় আধিপত্য চালানো আজিম গ্রেপ্তার
খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৫, ৬:৫৮ পিএম

খুলনায় সবচেয়ে আলোচিত তিন সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর অন্যতম আজিম গ্রুপ। এই দলের প্রধান নূর আজিমকে গ্রেপ্তার করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি।

গ্রেপ্তারের পর তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি বিদেশি একনলা বন্দুক, চারটি কার্তুজ, একটি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

 বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত বুধবার ভোরে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সঙ্গে তার অন্যতম সহযোগী রিয়াজুল ইসলাম রাজুকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ বলেন, সম্প্রতি খুলনা শহরে সন্ত্রাসীরা বেশ উৎপাত শুরু করেছিল। তাদের নিবারণের জন্য কেএমপি অভিযান শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকাতে অভিযান চালিয়ে খুলনার কয়েকজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়। নূর আজিম তার মধ্যে অন্যতম।

তিনি আরও জানান, নূর আজিম সন্ত্রাসী গ্রুপ সৃষ্টি করে শহরে মাদক বিক্রিসহ নানা প্রকার অপরাধমূলক কাজ পরিচালনা করেন। তাকে গ্রেপ্তারের পর তার দেয়া তথ্যানুসারে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশে কর্মকর্তা জানান, নূর আজিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে। নতুন করে খুলনা সদর থানায় আরও একটি অস্ত্র মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হবে। এ ছাড়া তার কাছে থাকা অস্ত্র ও তার সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের তথ্য উৎঘাটনের জন্য পরবর্তী কার্যক্রম চলমান আছে।

২০২৩ সালের শেষের দিকে কেএমপি খুলনা শহরের বৃহৎ তিনটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছিল। ওই তিনটি গ্রুপ হলো আশিক বাহিনী, নূজ আজিম বাহিনী ও গ্রেনেড বাবুর বাহিনী।

এই তিনটি গোষ্ঠী পুরো খুলনা শহরের মাদক কারবার, ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র বিক্রি ও ভাড়াটে খুনের সঙ্গে সর্বদা জড়িয়ে থাকে।

গত ৫ আগস্টের পর পুলিশের কার্যক্রম অনেকটা নিষ্ক্রিয় হওয়ার ফলে তাদের আধিপত্য ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। প্রায় প্রতিদিনই শহরের কোথাও না কোথাও গোলগুলির ঘটনা শুরু হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারের জন্য এ তিন গ্রুপের নেতৃস্থানীয় ১২ জনের একটি তালিকা করে কেএমপি।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ বলেন, ‘এ নেতৃস্থানীয় ১২ জনের মধ্যে আমরা এই পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি। বাকিদেরও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক ইউনিট কাজ করছে।’



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: vorerpata24@gmail.com বার্তা ইমেইল:news@dailyvorerpata.com বিজ্ঞাপন ইমেইল:vpgmad@gmail.com