
৪ বছর পর জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েই তা কাজে লাগালেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে একাদশে সুযোগ পেয়েই তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ৪র্থ অর্ধশত। এর জন্য তাকে খেলতে হয়েছে ৪৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। সবশেষ ২০২২ সালের আগস্টে তিনি ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৪৪ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৯ রান। মোসাদ্দেক ৫০ ও তানভির ০ রানে অপরাজিত আছেন।
মঙ্গলবার (৯ জুন) মিরপুরে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি শুরু হয় সকাল ১১টায়। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ প্রথম ওভার থেকে স্কোরবোর্ডে জমা করে ৫ রান। যেখানে তানজিদ তামিমের ছিল ৪ রান। পরের ওভারে সাইফ হাসান স্ট্রাইকে নিয়ে চার মেরে শুরু করেন। কিন্তু পরের বলেই স্লিপে ক্যাচ তুলে ফেরেন ব্যক্তিগত ৫ রান।
এরপর উইকেটে এসে প্রথম বলে চার মারেন নাজমুল হোসেন শান্তও। পাঁচ ওভার শেষে নাজমুল শান্ত আউট হতে পারতেন তবে লাবুশেন স্লিপে ক্যাচ ছেড়ে দেয়ায় জীবন পান তিনি। এরপর সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তামিম ও শান্ত নিজেদের ধরছেন। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ স্কোরবোর্ডে যোগ করে ৬২ রান।
এরপর উইকেটে এসে প্রথম বলে চার মারেন নাজমুল হোসেন শান্তও। পাঁচ ওভার শেষে নাজমুল শান্ত আউট হতে পারতেন তবে লাবুশেন স্লিপে ক্যাচ ছেড়ে দেয়ায় জীবন পান তিনি। এরপর সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তামিম ও শান্ত নিজেদের ধরছেন। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ স্কোরবোর্ডে যোগ করে ৬২ রান।
এরপর খোলস থেকে আস্তে আস্তে বেরুতে থাকেন তামিম-শান্ত। এ দুজন ৯৬ রানের জুটি গড়ার পর দলীয় ১০৬ রানে তানজিদ তামিম বিদায় নিলে ভাঙে জুটি। অবশ্য এর আগে ক্যারিয়ারের ৭ম ওয়ানডে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। চলতি বছরে খেলা ৭ ওয়ানডেতে তামিমের এটি চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি, এর মধ্যে একটিতে করেছেন সেঞ্চুরিও। সাইফের মতো তার উইকেটও তুলে নিয়েছেন নাথান এলিস। তামিমের ইনিংস সাজানো ছিল ৭ চার ও ১ ছক্কায়।
২০১১ সালে সবশেষ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে অংশ নেয় বাংলাদেশ। এরপর আইসিসির টুর্নামেন্টেও তিনবার অজিদের মুখোমুখি হয় টাইগাররা। যার দুটিতে হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। আর একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যায়। অজিদের বিপক্ষে সবশেষ ওয়ানডে জয় ২০০৫ সালে কার্ডিফে।
এদিকে অজিদের বিপক্ষে একাদশে সাড়ে ৩ বছর পর জায়গা পেয়েচেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তিনি সবশেষ ২০২২ সালের আগস্টে মাঠে নেমেছিলেন। দুই স্পিনিং অলরাউন্ডারসহ তিনজনকে নিয়ে মাঠে নামলেও একাদশে জায়গা হয়নি স্পিনার রিশাদ হোসেনের। এছাড়াও দলের বাহিরে আছেন সৌম্য সরকার, নুরুল হাসান সোহান ও শরিফুল ইসলাম। তিন পেসারের কোটায় রয়েছেন তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা।
বাংলাদেশ দল
মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন কুমার দাস, মোসাদ্দেক হোসেন, তানভির ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ
জশ ইংলিস (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, নাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, মারনাস লাবুশেন, ম্যাথু রেনশ, লিয়াম স্কট, ম্যাট শর্ট ও অ্যাডাম জাম্পা।