প্রকাশ: শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
বর্তমান সময়ের রাজনীতিতে যখন তারুণ্যের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা চলছে, ঠিক সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের একজন উদীয়মান ও সংগ্রামী নেতা হিসেবে উঠে আসছেন রবিউল ইসলাম নয়ন। আদর্শ, সাহস ও ত্যাগের রাজনীতিতে বিশ্বাসী এই নেতা তরুণ সমাজকে সংগঠিত করে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রবিউল ইসলাম নয়ন। শুরু থেকেই তিনি অন্যায়, অবিচার ও দমননীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ, নিয়মিত মাঠপর্যায়ের কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে তিনি দ্রুতই যুবদলের একজন নির্ভরযোগ্য সংগঠকে পরিণত হন।
রবিউল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো—তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন। দুর্যোগকালীন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, রক্তদান কর্মসূচি, যুবকদের সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং সামাজিক সহায়তামূলক উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
রাজনৈতিক সংগ্রামের পথে তাকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। প্রতিকূল পরিবেশ, দমন-পীড়ন ও নানা বাধা সত্ত্বেও তিনি কখনো আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। বরং প্রতিটি বাধাকে শক্তিতে পরিণত করে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করার কাজে আত্মনিয়োগ করেছেন।
এ বিষয়ে রবিউল ইসলাম নয়ন বলেন,
“রাজনীতি আমার কাছে ব্যক্তিগত স্বার্থের বিষয় নয়। এটি মানুষের অধিকার আদায় ও দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একটি সংগ্রাম। আমি বিশ্বাস করি, যুব সমাজই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে।”
তার সহকর্মী ও দলের নেতাকর্মীরা জানান, তার নেতৃত্বগুণ, সাংগঠনিক দক্ষতা ও আপসহীন মনোভাব তাকে তরুণ প্রজন্মের কাছে একটি অনুপ্রেরণার নাম করে তুলেছে। মাঠপর্যায়ে তিনি যেমন সাহসী, তেমনি কর্মীদের প্রতি দায়িত্বশীল ও সহানুভূতিশীল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারুণ্যের শক্তিকে সংগঠিত করে আদর্শিক রাজনীতিতে যুক্ত করতে পারলে ভবিষ্যতে রবিউল ইসলাম নয়ন যুব রাজনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
তারুণ্যের শক্তি, সংগ্রামের সাহস এবং পরিবর্তনের প্রত্যয়—
রবিউল ইসলাম নয়ন আজ সত্যিকার অর্থেই তারুণ্যের কণ্ঠ।