বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫ মাঘ ১৪৩২

শিরোনাম: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ   ক্ষমতায় গেলে ইসলামী আইন চালুর প্রশ্নে যা বললেন জামায়াত আমির   গণভোটে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট প্রচার দণ্ডনীয় অপরাধ: ইসি   নওগাঁয় জনসভার মঞ্চে তারেক রহমান    ফখরুলের গলায় টাকার মালা!   চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি বৈধ: হাইকোর্ট   ২২ বছর পর আজ রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান   
ক্ষমতা গ্রহণ করে প্রথমেই সৌদি যুবরাজকে ফোন ট্রাম্পের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ১০:৫৯ AM

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম বিদেশি রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুই দেশের নেতার মধ্যে এই ফোনালাপ হয়।

সৌদি আরবের কার্যত নেতা হিসেবে পরিচিত বিন সালমানের (যিনি এমবিএস নামেও পরিচিত) সঙ্গে প্রথমে কথা বলার সিদ্ধান্তটি ট্রাম্প প্রশাসনের অগ্রাধিকারকে নির্দেশ করে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের জন্য আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

এই চুক্তিটি সম্ভবত একটি বিশাল প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হবে, যা রিয়াদ ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্বাক্ষর করতে চায়। এতে সৌদি আরব নিরাপত্তা নিশ্চয়তা পাবে, যদি তারা আক্রমণের সম্মুখীন হয়, এবং একই সাথে এটি মার্কিন অর্থনীতিতে বিশাল বিনিয়োগের পথ সুগম করবে।

তবে সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছে যে এমন একটি চুক্তির জন্য একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার মাধ্যমে গাজায় যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রিয়াদ এই বিষয়ে তাদের অবস্থান আরও জোরদার করেছে। ক্রাউন প্রিন্সের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে যে তিনি ইসরায়েলের কাছ থেকে প্রতীকী পদক্ষেপ আর গ্রহণ করবেন না; বরং কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজন হবে।

এ ছাড়া সৌদি আরব স্পষ্ট করে দিয়েছে যে গাজা যুদ্ধে অবসান ঘটানো ছাড়া স্বাভাবিকীকরণ সংক্রান্ত আলোচনা এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে দুই-রাষ্ট্র সমাধানের বিরোধিতা করে আসছেন। এমনকি এ সংক্রান্ত ছোটখাটো পদক্ষেপও তার কট্টর ডানপন্থি সরকার ভেঙে দেয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বুধবারের ফোনালাপে বিন সালমান ট্রাম্পকে জানান, সৌদি আরব আগামী চার বছরে যুক্তরাষ্ট্রে তার বিনিয়োগ ৬০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চায়। এমনকি যদি নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয় তবে এই বিনিয়োগ আরও বাড়তে পারে। এই তথ্য সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সৌদি আরবের পাঠানো প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে ট্রাম্প সৌদি ক্রাউন প্রিন্সকে জানিয়েছেন যে তিনি রিয়াদের সাথে যৌথ স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজ করার জন্য আশাবাদী।

তবে হোয়াইট হাউস থেকে এই ফোনালাপের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি তৎক্ষণাৎ প্রকাশ করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক মিত্র সৌদি আরব। ট্রাম্প তার প্রথম দফার শাসনামলে সৌদি আরবকে তার দেশের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও নিরাপত্তা অংশীদার হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। প্রথম দফায় প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ২০১৭ সালে ট্রাম্প প্রথম বিদেশ সফরে সৌদি আরব গিয়েছিলেন।



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: vorerpata24@gmail.com বার্তা ইমেইল:news@dailyvorerpata.com বিজ্ঞাপন ইমেইল:vpgmad@gmail.com