বিএনপির যে নতুন নাম দিলেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের!

  • ১৯-Sep-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

আইন ও সংবিধানের প্রতি বিএনপির অনাস্থার কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আইনের প্রতি বিএনপির অনাস্থা চির জীবন ছিল। তারা আইন মানে না, সংবিধান মানে না। কোনও নিয়ম মানে না। তারা তো ‘মানি না মানবো না’ পার্টি । বিএনপির আরেক নাম হচ্ছে ‘মানি না মানবো না’। এছাড়া ‘নালিশ পার্টি’ হিসেবে তো তাদের সুপরিচিতি আছেই।

বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী হলে নিজের লেখা উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘গাঙচিল’ চলচ্চিত্রের শুভ মহরত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন আসলে অনেক রকমের খেলার বিষয় সামনে চলে আসে। নির্বাচন যখন আসে তখন অনেক বিষয় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, অনেক খেলা জমে ওঠে। এতে নির্বাচনের কোনো ক্ষতি হবে না।

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে আদালতে একটি রিট হয়েছে এবং তাতে তফসিল ঘোষণা স্থগিত চাওয়া হয়েছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন যথাসময়ে যথারীতি সংবিধানসম্মতভাবে হবে। এক্ষেত্রে কোনো সন্দেহ থাকার অবকাশ নেই ।

‘বিএনপি আর সরকার কিংবা আদালতের দিকে চেয়ে না থেকে কঠোর আন্দোলনে যাবে। এক মাসের মধ্যেই দেশে বড় পরিবর্তন হবে’, বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদের এমন মন্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কদের বলেন, মিডিয়ায় আমরা দেখেছি তারা বলেছে এক মাসের মধ্যে তারা বাংলাদেশের পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে। তাদের স্বপ্নের সঙ্গে জনগণের কোনো সংযোগ নেই। জনগন যদি সাড়া না দেয় তাহলে তারা আন্দোলন করবে কিভাবে?

‘তারা ১০ বছর ধরেই তো আন্দোলনের কথা বলছে। ১০ বছরে ধরে তারা যা পারেনি, দুই মাসে তারা তা পারবে না। আইনের প্রতি তাদের অনাস্থা চির জীবন ছিল। তারা আইন মানে না, সংবিধান মানে না। বিএনপির অপর নাম মানি না, মানবো না।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদেশিদের কাছে কান্নাকাটি পর্ব শেষ করে তারা জাতিসংঘের কাছে নালিশ করল, কান্নাকাটি করল, আমাদের দেশের জনগণকে ছোট করল, গণতন্ত্রকে অপমান করল। তারা বলল তাদেরকে জাতিসংঘ মহাসচিব আমন্ত্রণ করেছে। জাতিসংঘের মহাসচিব তখন ঘানায়। বিএনপি নেতারা জাতিসংঘ অফিসের নিচে যেয়ে বারবার অনুরোধ করে নিচের পর্যায়ের একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেলের সাথে বৈঠক করেছে। কেউ তাদের দাওয়াত করেনি, কোন লিখিত আমন্ত্রণপত্র তাদের কাছে ছিল না। লবিস্ট নিয়োগ করে তারা টাকা দিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছে। তারা তৃতীয় সারির একজন কর্মকর্তার সাক্ষাৎ লাভ করেছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের নামে যারা মিথ্যা আমন্ত্রণের সংবাদ পরিবেশন করে, তাদের বাংলাদেশের মানুষকে ব্ল্যাকমেল করার দিন শেষ হয়ে গেছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, যেহেতু সেনাবাহিনী সরকারের অধীনে থাকবে তাই সেনা মোতায়েনে নির্বাচন কমিশন সরকারকে অনুরোধ করতে হবে এবং সরকারের যদি মনে করে তাহলে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রয়োজন অনুযায়ী সময়ের নিরিখে সেনাবাহিনী মোতায়েন করবে।

 

/কে 

Ads
Ads