ডিজিটাল কারচুপির পথ থেকে সরে আসুন, ইসিকে বিএনপি

  • ৩০-Aug-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা ইসিকে দৃঢ়ভাবে বলতে চাই এ ডিজিটাল কারচুপির পথ থেকে সরে আসুন। অন্যথায় ষড়যন্ত্রকারীদের প্রত্যেককে ব্যক্তিগতভাবে এ অপতৎপরতার জন্য মূল্য দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, ২০১২ সালে যখন ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ব্যবহারের কথা ওঠেছিল আমরা বিরোধীতা করেছিলাম। বর্তমান ইসি দায়িত্ব নেওয়ার পর বলেছিলেন ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। কিন্তু হঠাৎ করে কি এমন ঘটলো, কি কারণে, কার নির্দেশে চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১ লাখ ইভিএম মেশিন গোপনে কেনার জন্য ওঠে পড়ে লেগেছেন।

ফখরুল আরও বলেন, দলবাজ ও দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তা হেলালুদ্দীনকে ইসির সচিব পদে বসানো হয়েছে। এ সচিবই গণমাধ্যমে বলেছে আরপিও সংশোধন করা হবে না। তাহলে কেন আরপিও সংশোধন করে ইভিএম ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে? কারা এর নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছে?

ইভিএম দিয়ে ভোটের ফলাফল পাল্টে দেওয়া এবং এক টিপে ৫টি ভোট দেওয়া সম্ভম বলেও দাবি করেন ফখরুল। এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ইভিএম ব্যবহারের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারবে না।

সরকার জনগণের ওপর আস্থা হারিয়ে এখন যন্ত্রের ওপর নির্ভর করছে দাবি করে ফখরুল প্রশ্ন রাখেন, ‘কাকে বিজয়ী করতে নির্বাচন কমিশন তরিঘরি করে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ এর পেছনে কারা কলকাঠি নাড়ছে সেই প্রশ্নও রাখেন বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল এবং সুশীল সমাজের আপত্তি সত্ত্বেও সরকারের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন ইভিএম আরপিও করার চেষ্টা করছে। জনগণের প্রতি আস্থা হারিয়ে যন্ত্র ব্যবহারে উঠে পড়ে লেগেছে সরকার।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, বিশ্বের প্রায় ৯০ ভাগ দেশে ইভিএম পদ্ধতি চালু নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট জালিয়াতি সম্ভব। ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ প্রমুখ।

/ই

Ads
Ads